Advertisement
E-Paper

অবশেষে ইতি পড়ল ডিউটি-জটে

সোমবার কোভিড হাসপাতালে কর্মরত রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের মেডিসিনের চিকিৎসক জয় বিশ্বাসকে তুলে নেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে সেখানে জেএনএম থেকে চিকিৎসক পাঠানো হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২০ ০১:১৬
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

দীর্ঘ টানাপড়েনের পর জেলার একমাত্র কোভিড হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ডিউটি রস্টার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা মিটল। সেখানে ডিউটি করতে রাজি হলেন কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের (জেএনএমের)চিকিৎসকেরা। সোমবার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে সে কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন জেএনএম কর্তৃপক্ষ। জানিয়ে দিয়েছেন, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিন তারা এই কোভিড হাসপাতাল সামলাবেন। বাকি তিন দিন সেখানে পরিষেবা দেবেন কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতাল-সহ অন্য সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

সোমবার কোভিড হাসপাতালে কর্মরত রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের মেডিসিনের চিকিৎসক জয় বিশ্বাসকে তুলে নেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে সেখানে জেএনএম থেকে চিকিৎসক পাঠানো হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “জেএনএমের চিকিৎসকেরা কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসা করতে রাজি হয়েছেন।আশা করছি, এ বার আর কোনও সমস্যা থাকবে না।”

কোভি়ড হাসপাতালে কারা পরিষেবা দেবে তা নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর ও জেএনএম কর্তৃপক্ষের মধ্যে চাপানউতোর চলছিল বেশ কিছু দিন ধরে। জেএনএম হাসপাতাল রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত। জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এ নিয়ে একাধিক বৈঠক ও চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধান সূত্র মিলছিল না। দু’পক্ষই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবের কারণ দেখিয়ে কোভিড হাসপাতালের কাজ থেকে নিষ্কৃতি চাইছিলেন। জেলাশাসক বিভু গোয়েলের নির্দেশে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দুই পক্ষের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটা যৌথ ডিউটি রস্টার তৈরি করেন। তার পরও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসক দিতে অস্বীকার করেন জেএনএম কর্তৃপক্ষ। রবিবার থেকে তাঁদের সেখানে ডিউটি করার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা যোগ দেননি। বিস্তর টানাপড়েনের পর সোমবার সকালে জেএনএমের তরফে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, তাদের চিকিৎসকেরা ডিউটি করতে সম্মত হয়েছেন।

সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ল্যাবরেটরির দায়িত্বে থাকবে জেএনএম। জেএনএমের তরফে কোভিড হাসপাতালের নোডাল অফিসার চিকিৎসক অয়ন ঘোষ বলেন, “আমাদের সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কোনও সমস্যা ছিল না। কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সহমতের ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান হয়েছে। এতে আমরা সকলেই খুশি।”

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

Coronavirus
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy