Advertisement
E-Paper

সংক্রমণ রদে কড়া নজর জলপথেও

নৌকায় ডিজে বাজিয়ে নাচানাচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গঙ্গার ঘাটে যাতে কোনও রকমের যাতায়াত না করা হয়, সে দিকেও নজর রাখা হবে। গত চার দিন আগে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলো নিয়ে প্রশাসনির বৈঠক করা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২০ ০০:১৪
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

বেলডাঙা, রেজিনগর, শক্তিপুর জুড়ে রয়েছে প্রচুর জলপথ। মূলত ভাগীরথী নদীর দুই দিকে বিছিন্ন ভাবে অনেকগুলি ঘাট এলাকার মানুষের প্রধান পরিবহণের মাধ্যম। পুজোর আর দেরি নেই। পুজোর আগে নৌকায় যাত্রীদের গতিবিধি বেড়েছে। নানা কাজে মানুষ নৌপরিবহণ ব্যবহার করবেন। কিন্তু পুজোর আগে বা পুজোর সময় নৌ-পথ নিয়ে কি ভেবেছে প্রশাসন।

বেলডাঙা ২ ব্লকের এক দিকে রেজিনগর, অন্য দিকে শক্তিপুর। দুই দিকেই ঘনবসতি এবং প্রধান পথ বলতে জলপথ। প্রধান বাজার শক্তিপুর। দুর্গা পুজোও শক্তিপুরের দিকেই বেশি। বড় বাজেটের পুজোও হয়। ফলে পুজোর আগে পুজো বাজার, পুজোর সময় বা অন্য কাজে রেজিনগরের দিক থেকে শক্তিপুর যেতে হয়। সঙ্গে কাজ সেরে ফিরেও আসতে হয়। বেলডাঙা ২ ব্লকের শক্তিপুর, নারকেল বাড়ি, গরদুয়ারা, রামনগর ঘাটই প্রধান। এই ঘাট দিয়ে নৌকায় করে মানুষকে পারাপার করতে হয় ভিড়ের মধ্যে। তাদের মধ্যে নারকেল বাড়ি, গরদুয়ারা, রামনগর ঘাট দিয়ে বড় ও ছোট গাড়ি পার করা যায়। পুজোর আগে অনেক মানুষ নানা ভাবে বাড়ি ফিরছেন।

তাঁদের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? পুজোর সময় কি নৌকা বাডা়ন হবে? বেলডাঙা ২ পঞ্চায়েত সমিতি এই ঘাটগুলো পরিচালনা করে। সমিতি সূত্রে জানা নিয়েছে, প্রতিটা ঘাটে তিন থেকে চারটি নৌকা রাখা হয়। একটি নৌকা অন্য পাড়ে পৌঁছলে অন্য নৌকা চলা শুরু হয়। এছাড়া বিশেষ পরিস্থিতির জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়। পুজোর দিন গুলোর জন্য প্রশাসনিক নজর দারি রাখা হয়। তবে এই এলাকায় পুজোর পর প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে বড় উৎসব হয়। নৌকা বাইচ দেখতে বাইরের মানুষও আসে। তবে নৌকা বাইচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। গত বছর শুরু হলেও এবছর তা কড়াকড়ি করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

নৌকায় ডিজে বাজিয়ে নাচানাচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গঙ্গার ঘাটে যাতে কোনও রকমের যাতায়াত না করা হয়, সে দিকেও নজর রাখা হবে। গত চার দিন আগে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলো নিয়ে প্রশাসনির বৈঠক করা হয়েছে। তাদের সমস্ত বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে।তবে শক্তিপুরের বাসিন্দা নবারুণ ঘোষ বলেন, “নৌ পরিবহণ ব্যবস্থা সব ঘাটে সমান নয়। যেমন নারকেল বাড়ি বা রামনগর ঘাট যাতায়াতের পক্ষে ভাল। কিন্তু অন্য ঘাটে যাতায়াত সমস্যার।” তনুজা দত্ত বলেন, “আমি শক্তিপুরের মেয়ে। পলাশিতে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু সড়ক পরিবহণ শেষ করে নৌকায় চাপলেই ভয় করতে শুরু করে। কখন এই পথ শেষ হবে। কারণ শক্তিপুরের আগের ঘাট এখন বন্ধ। আড়াই কিলোমিটার গিয়ে শক্তিপুর শ্মশান ঘাটে গিয়ে নৌকা থেকে নামতে হয়। যেখানে মড়া পোড়ানো হয়, সেই জায়গা অতিক্রম করে যাতায়াত করতে হয়। যেটা খুব কষ্ট হয়। তা ছাড়া মানুষ ক সংকীর্ণ ঘাট পার করে যেতে হয়। সেই পথে গাড়ি যেতে পারে না। ফলে নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ যাত্রী খুব কষ্ট।” বেলডাঙা ২ ব্লকের বিডিও সমীররঞ্জন মান্না বলেন, “প্রধান ঘাট গুলোতে তিন থেকে চারটি নৌকা রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সঙ্গে যাতে নৌকায় ভিড় না হয় সে বিষয়েও নজর দারি রাখা হয়েছে। পুজোর দিন ও বিসর্জন ঘিরে পুজো কমিটি গলোকে ডেকে সচেতন করা হয়েছে। নৌকা বাইচ ও ডিজে বক্স বন্ধ করার ঘোষণা হয়েছে।”

Prevent Infection COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy