পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারতের হামলার (অপারেশন সিঁদুর) পরের দিন সাংবাদিক বৈঠক করেছিল সেনাবাহিনী। সেদিন সেনাবাহিনীর তরফে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এবং উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংহ ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সাফল্যের কথা তুলে ধরেছিলেন। সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সমাজমাধ্যমে সোফিয়া-ব্যোমিকার সেই বক্তব্য দেখেছিল ভগবানগোলার তোপিডাঙা হাই মাদ্রাসার ছাত্রীরা। ওই দু’জনকে দেখে সেনাবাহিনীতে যোগদানের উৎসাহ পেয়েছে তারা। রবিবার হস্টেল চত্বরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাফল্য কামনা করে তারা মিছিল করে। পাশাপাশি, সেই ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তারা দেশের সেনাবাহিনীর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছে।
ওই হাই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মামুন আলবিরুনি বলেন, ‘‘সেনার ওই দুই মহিলা আধিকারিককে দেখে ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীতে যোগদানের উৎসাহ দেখিয়েছে অনেক ছাত্রী। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাফল্য চেয়ে এ দিন মেয়েরা মিছিলও করেছে। আমরা সেনার বীরত্বের নানা ইতিহাসের কথা তাদের সামনে তুলে ধরেছি।’’ তাঁর দাবি, ‘‘সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে ছাত্রীদের অনেকেই।’’ ওই মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী নুরজাহান খাতুন বলে, ‘‘জঙ্গিরা ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে খুন করেছে। আমাদের সেনাবাহিনী তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। সোফিয়া কুরেশি, ব্যোমিকা সিংহকে দেখে উৎসাহ পেয়েছি। আমরাও সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’’ ওই মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী রাজিয়া সুলতানা বলে, ‘‘সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কথা টিভি থেকে জানতে পারছি। বাড়িতে বলেছি, সুযোগ পেলে আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দেব।’’ তবে শুধু ওই ছাত্রীরাই নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাফল্য কামনায় গত কয়েক দিনে সমস্ত জেলাবাসী প্রার্থনা করেছেন। শনিবার দু’দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও ওইদিনই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে হামলা চালায়। ভারতও তার যোগ্য জবাব দিয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)