Advertisement
E-Paper

এ বার হুমায়ুনের স্ত্রীকে ডেকে পাঠানো হল থানায়! জলাজমি বুজিয়ে নির্মাণের অভিযোগ আসতেই পদক্ষেপ পুলিশের

বিতর্ক মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর ব্লকের সোমপুকুরিয়া মৌজার একটি জমি নিয়ে। অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অগ্রাহ্য করে এবং জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই নালা বুজিয়ে সেখানে ভবনটি নির্মিত হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৮
ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।

ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। —ফাইল চিত্র।

এ বার থানায় তলব করা হল ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী মীরা সুলতানাকে। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর থানার পুলিশ। জলাজমি বুজিয়ে বাড়ি নির্মাণ বিতর্কে ইতিমধ্যে শক্তিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নোটিস পাঠিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে হুমায়ুনের স্ত্রীকে। পুলিশের এই নোটিসের পর আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল থেকে নিলম্বিত বিধায়কও।

বিতর্ক মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর ব্লকের সোমপুকুরিয়া মৌজার একটি জমি নিয়ে। দাবি করা হচ্ছে, সরকারি নথিতে এই জমিটি প্রথম থেকেই নদীপথের নালা হিসেবে উল্লিখিত ছিল। ২০০৩ সালে স্থানীয় এক পরিবারের কাছ থেকে জমিটি কেনে হুমায়ুনের পরিবার। পরে ২০০৪ সাল থেকে সেখানে নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১০ সালে তৈরি হয় একটি তিনতলা বাড়ি। এখন ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দফতরের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অগ্রাহ্য করে এবং জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই নালা বুজিয়ে ভবনটি নির্মিত হয়েছে।

বেলডাঙা ২ ব্লকের নারকেলবাড়িতে অবস্থিত ওই বাড়ির বিষয়ে হুমায়ুন-জায়ার কাছে আগেই জবাব তলব করেছিল প্রশাসন। সাত দিনের মধ্যে তাঁকে কৈফিয়ৎ দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ওই উত্তর সন্তোষজনক না-হওয়ায় গত ৫ মার্চ জেলা প্রশাসনের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয় শক্তিপুর থানায়। জানা যাচ্ছে, ভূমি এবং ভূমি সংস্কার আইনের ৪(ডি) ধারায় ওই অভিযোগ আনা হয়েছে হুমায়ুনের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫/৩ ধারায় নোটিস পাঠানো হয়েছে মীরাকে। তদন্ত সহযোগিতার জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছে থানায়।

স্ত্রীকে থানা থেকে নোটিস পাঠানোর ঘটনায় ইতিমধ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন হুমায়ুন। ২০০৩ সালের ঘটনায় এত বছর পর কেন নোটিস দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্ষুব্ধ বিধায়ক। তিনি বলেন, “এই বাড়ির বিদ্যুতের বিল মেটানো হয়। যা খুশি করুক প্রশাসন, আমরা এর জবাব দেব।” তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন তিনি। হুমায়ুন বলেন, “যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইডির কাছ থেকে ফাইল ছিনিয়ে আনতে দৌড়োতে পারেন, তাঁর কাছে আইনের শাসন আশা করা বৃথা। পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না, আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব।” যদিও জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, আইন মেনেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Humayun Kabir
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy