Advertisement
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Murshidabad Medical College

একের পর এক শিশুর মৃত্যু কেন? কারণ জানতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্যকর্তারা

হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুমৃত্যুর কারণ হিসাবে এক কর্তা অপুষ্টিজনিত সমস্যা এবং কম ওজনের কথা বলেন। কিন্তু এই জবাবে মোটেই খুশি হননি স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ। —ফাইল চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
বহরমপুর শেষ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:০০
Share: Save:

শিশুমৃত্যুর ঘটনা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে এলেন স্বাস্থ্য দফতরের দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল। চলছে চিকিৎসক এবং নার্সদের জিজ্ঞাসাবাদ। হাসপাতালের একটি সূত্রের খবর, গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৩টি শিশুর মৃত্যু নিয়ে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের যুক্তিতে সন্তুষ্ট নন রাজ্য দফতরের স্বাস্থ্য কর্তারা। তাই সরেজমিনে তদন্ত করতে শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে আসেন স্বাস্থ্য দফতরের দুই প্রতিনিধি চিকিৎসক অরিজিৎ ভৌমিক এবং বি কে পাত্র। তার পর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় শিশু বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক এবং নার্সদের। শনিবার হাসপাতালের এসএনসিউ বিভাগ পরিদর্শন করবেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

হাসপাতালের একটি সূত্রের খবর, শুক্রবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে আসার পরেই স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা শিশু বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতালের আধিকারিকদের কাছে জানতে চান, কেন এমন ঘটনা ঘটল। উত্তরে এক কর্তা অপুষ্টিজনিত সমস্যা এবং কম ওজনের কথা বলেন। মৃত শিশুদের অনেকের ওজন ৫০০ গ্রামের কম ছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু এই জবাবে মোটেই খুশি হননি স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা।

অন্য দিকে, হাসপাতালের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন শনিবারও মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজের এসএনসিইউ ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যার কয়েক গুণ বেশি শিশুকে ভর্তি করানো হয়েছে। শিশুমৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সন্দীপ সান্যাল বলেন, ‘‘প্রতিনিধিদল হাসপাতালের পরিকাঠামো এবং জেলার শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছেন। জেলার পক্ষ থেকে আমরাও আমাদের সমস্যাগুলি স্বাস্থ্যকর্তাদের সামনে তুলে ধরতে চাইছি।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE