E-Paper

ছাড়া পেলেন ওড়িশায় আটকে থাকা সাত পরিযায়ী শ্রমিক

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিহরপাড়ার গজনিপুর গ্রামের বাসিন্দা জালিম শেখ ও সাহাজাদপুর গ্রামের বাসিন্দা সামিউল শেখ ওড়িশায় কাজে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৫ ০৯:৪১

—প্রতীকী চিত্র।

ওড়িশায় ছাড়া পেলেন পুলিশের হাতে আটক থাকা পরিযায়ী শ্রমিকেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিহরপাড়ার গজনিপুর গ্রামের বাসিন্দা জালিম শেখ ও সাহাজাদপুর গ্রামের বাসিন্দা সামিউল শেখ ওড়িশায় কাজে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন।

রাজ্য সভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম বলেন, “জেলা প্রশাসন ও ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের পরে ওই শ্রমিকদের উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।” হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন, “ভিন্ রাজ্যে বাংলা ভাষায় কথা বলায় বাংলাদেশি তকমা দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারের জন্য জেলা পুলিশ ও প্রশাসন উদ্যোগী হয়। আমরা সমন্বয় রেখে তাঁদের উদ্ধারের কাজ করেছি।”

ওই দুই শ্রমিকের পরিবারের লোকেদের দাবি, বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁদের ন’জনকে আটক করে নিয়ে যায় ওড়িশার বাহাল থানার পুলিশ। পরিবারের লোকেদের দাবি গত সোমবার রাতে কাজের জায়গা থেকে ন'জনকে পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ছিলেন নওদার দু'জন ও বেলডাঙা থানা এলাকার পাঁচ জন শ্রমিক। পরদিন সকালে নওদার ছাবাতলার বাসিন্দা মনিরুল শেখ ও বিল্লাল শেখ বৈধ নথিপত্র দেখানোর পরে থানা থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। পরে পরিবারের লোকেরা অন্য শ্রমিকদের কাছ থেকে জানতে পারেন, হরিহরপাড়ার দু'জন ও বেলডাঙার পাঁচ জন ওড়িশার আটঘর জেলে রয়েছেন। পরিবারের লোকেরা স্থানীয় থানায় যোগাযোগের পাশাপাশি হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ ও রাজ্য সভার সাংসদ, পরিযায়ী শ্রমিক ঐক্য মঞ্চের সামিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের বৈধ নথিপত্র পাঠিয়ে তাদের ছাড়ানোর উদ্যোগী হয় জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। জেলা পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে ওই সাতজন পরিযায়ী শ্রমিক আটঘর জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, “ওই শ্রমিকদের বৈধ নথি দিয়ে ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইতিমধ্যে তাঁরা ছাড়া পেয়েছেন।”

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাহাল থানা থেকে ইতিমধ্যে তাঁদের পরিবারের লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়েই ওড়িশা পৌঁছেছিলেন সামিউলের বাবা সরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ছেলে ছাড়া পেয়েছে। তাকে বাড়ি নিয়ে আসছি।” জালিমের স্ত্রী বলেন, “ও ছাড়া পাওয়ার পরে ফোনে কথা হয়েছে।” হরিহরপাড়ার বাসিন্দা শামীম রহমান বলেন, “ভিন্ রাজ্যে কাজে গিয়ে বিপদে পড়া শ্রমিকদের জন্য আমাদের বিধায়ক, সাংসদ ও প্রশাসন ভাল কাজ করছেন।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Migrant Workers Odisha

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy