সইফ আলি খান ও করিনা কপূরের বড় ছেলে তৈমুর আলি খানের বয়স ৮ বছর। ছোট ছেলে জেহ্ সবে চার। দুই ভাই পিঠোপিঠি হলেও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দু’জনের একেবারে আলাদা। ভাই যতটা চঞ্চল-দুষ্টু, দাদা ততটাই শান্ত। সইফ যখন ছুরিবিদ্ধ হন, তখন অটোয় করে হাসপাতালে যাওয়ার পথে ছোট্ট তৈমুরই বাবাকে সঙ্গ দিয়েছিল। এ বার বাবাকে কোন প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল সে?
আরও পড়ুন:
তৈমুর তার বাবার পেশা নিয়ে প্রশ্ন করেছে। সে জানতে চেয়েছে, আর কত দিন তার বাবা এই কাজটা করবেন। সইফ জনান, অভিনয় কিংবা থিয়েটার নাকি মোটেই পছন্দ নয় তাঁর ছেলের। সইফ অবসর সময়ে বাড়িতে রান্না করতে ভালবাসেন। বাবার থেকে সেই গুণটা পেয়েছে তৈমুরও। স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি বা শীতের ছুটি শুরু হলে তাই তৈমুর রান্নার ক্লাসে যেতে চায়। অভিনয়ের প্রশিক্ষণ কখনও নিতে চায় না সে। সইফের কথায়, ‘‘ওর কাছে অভিনয় করাটা দুঃস্বপ্নের মতো। আমরা এক-দু’বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, সে অভিনয় শিখতে চায় কি না! কিন্তু ওর উৎসাহ নেই দেখে, আমরাও আর জোর করিনি। কিন্তু, তৈমুর আমাকেও প্রশ্ন করেছিল যে আমি অভিনয় কত দিন করব! তখন বলেছিলাম, আমি অভিনয়টা সারাজীবন করে যেতে চাই।’’