Advertisement
২০ জুলাই ২০২৪
Scam

রাতেই বিদ্যুতের বিল না মেটালে বিপদ! মেসেজের ফাঁদে পা দিয়ে লাখ টাকা খোয়ালেন শিক্ষিকা

নবনীতার হোয়াটসঅ্যাপে ওই বকেয়া বিল মেটানোর বিষয়ে একটি মেসেজ আসে। সেটা দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন শিক্ষিকা।যেখান থেকে মেসেজ এসেছিল, সেই নম্বরে ফোন করেন।

মেসেজে সাড়া দিতেই প্রায় লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক স্কুল শিক্ষিকা।

মেসেজে সাড়া দিতেই প্রায় লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক স্কুল শিক্ষিকা। গ্রাফিক্স: শৌভিক দেবনাথ।

নিজস্ব সংবাদদাতা
ফরাক্কা শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২২ ১৬:৫৮
Share: Save:

বিদ্যুতের বিল বকেয়া রয়েছে। না মেটালেই বিপদ! হোয়াটসঅ্যাপে আসা সেই মেসেজে সাড়া দিতেই বিপত্তি। প্রায় লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক স্কুল শিক্ষিকা। শেষ পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

প্রতারিত স্কুল শিক্ষিকার নাম নবনীতা সরকার। আদতে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা নবনীতা মুর্শিদাবাদেরই সুতির একটি স্কুলে পড়ান তিনি। কর্মসূত্রে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পের আবাসনে থাকেন। সে কারণে বারাসতের ফ্ল্যাটে দীর্ঘ দিন থাকেন না। ওই ফ্ল্যাটেরই বিদ্যুতের বিল বকেয়া পড়েছিল। নবনীতার হোয়াটসঅ্যাপে ওই বকেয়া বিল মেটানোর বিষয়ে একটি মেসেজ আসে। সেটা দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন শিক্ষিকা। যেখান থেকে মেসেজ এসেছিল, সেই নম্বরে ফোন করেন। আর তার জেরেই খোয়ালেন প্রায় লাখ টাকা। নবনীতার কথায়, ‘‘রবিবার রাতে মোবাইলে একটি মেসেজ আসে। বলা হয় সে দিনের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।’’

নবনীতা জানিয়েছেন, বিল পরিশোধ করার জন্য শিক্ষিকাকে তাঁর মোবাইলে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয়। অ্যাপ ডাউনলোড করার পর শিক্ষিকাকে ১০ টাকা পাঠাতে বলেন অভিযুক্ত। শিক্ষিকা তাঁর ডেবিড কার্ডের মাধ্যমে ১০ টাকা ট্রান্সফার করার পরই বিপত্তি। তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে তিন ধাপে মোট ৯৭,৫১০ টাকা গায়েব হয়ে যায় চোখের নিমেষে। এর পরেই শিক্ষিকা প্রতারকের ফোন কেটে দেন। অ্যাপটিও ডিলিট করে দেন। তার পর অ্যাকাউন্ট থেকে আর কোনও রকম ট্রানজাকশন করতে পারেননি প্রতারক। অভিযুক্তের খোঁজে তদন্ত করছে ফরাক্কা থানা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE