ঘটনার পর দু’বছর পার। কিন্তু এখনও শেষ হল না সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের উদাসীনতাকেই দায়ী করছে খোরজুনা প্রতিবাদী মঞ্চ। মঙ্গলবার মঞ্চের পক্ষ থেকে মৃতার উদ্দেশে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। একটি মিছিলও বের করা হয়।
২০১৩ সালের ২৩ জুন ভোরে প্রাতঃক্রিয়া সারতে গিয়ে নিখোঁজ হন ওই মহিলা। পরে এলাকার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিত্যক্ত আবাসনে তাঁর দেহ মেলে। ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেন মৃতার পরিবার ও প্রতিবেশীরা। প্রতিবাদে শুরু হয় আন্দোলনও। চাপের মুখে ওই দিনই জেলা পুলিশের সুপার হুমায়ূন কবীর গ্রামে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন। প্রকাশ দাস নামে প্রতিবেশী এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত প্রকাশ বিচারাধীন বন্দি। এ দিনের ওই স্মরণসভায় হাজির ছিলেন মৃতার স্বামীও। তিনি বলেন, “দু’বছর ধরে বিচারের আশায় আদালতে ঘুরছি। ১৭জনের সাক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে। তবু দোষীর এখনও সাজা হল না।’’
মঞ্চের সভাপতি বামাচরণ সেন বলেন, “রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে উদাসীন। তাই এত দেরি হচ্ছে। কামদুনির ঘটনাও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’’ তাঁর কথায়, ‘‘অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে এ ভাবে দেরি করা হলে অপরাধমূলক কাজ বাড়বে বৈ কমবে না। সরকার বিষয়টি দেখুক, সেটাই চাই।”