Advertisement
E-Paper

দত্তক না পেয়ে হাসপাতালে শিশু ‘চুরি’

উদ্ধার হওয়া, চালচুলোহীন সদ্যোজাত শিশুটিকে দত্তক নিতে চেয়ে দিন কয়েক ধরেই ‘আব্দার’ শুরু করেছিলেন গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি। শনিবার, সেই দাবিতে পথ অবরোধও করেন তাঁরা। আর সেই হট্টগোলের মধ্যেই হরিনঘাটার ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে জনা কয়েক গ্রামবাসী শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এ দিন রাত পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি তার। তবে এ ব্যাপারে পুলিশ কেন ওই দম্পতিকে জেরা করছে না, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েও।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৫৬

উদ্ধার হওয়া, চালচুলোহীন সদ্যোজাত শিশুটিকে দত্তক নিতে চেয়ে দিন কয়েক ধরেই ‘আব্দার’ শুরু করেছিলেন গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি। শনিবার, সেই দাবিতে পথ অবরোধও করেন তাঁরা। আর সেই হট্টগোলের মধ্যেই হরিনঘাটার ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে জনা কয়েক গ্রামবাসী শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এ দিন রাত পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি তার। তবে এ ব্যাপারে পুলিশ কেন ওই দম্পতিকে জেরা করছে না, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েও।

দত্তক নেওয়ার যে কিছু সরকারি পদ্ধতি আছে, সে সবের তোয়াক্কা না করে ওই দম্পতির দাবি ছিল— ‘আমরা নিঃসন্তান, সন্তান স্নেহেই শিশুটিকে মানুষ করে তুলতে চাই।’

হরিনঘাটার বিডিও স্থানীয় ভাতশালা গ্রামের ওই দম্পতিকে বুঝিয়ে ছিলেন, সরকারি পদ্ধতি এড়িয়ে তাঁদের হাতে শিশুটিকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আগুনে ঘি পড়েছিল তাতেই। শনিবার সকাল থেকে নদিয়ার হরিনঘাটা-বড় জাগুলিয়া সড়ক অবরোধে নামেন ওই দম্পতি। সঙ্গে বেশ কিছু গ্রামবাসী। যান চলাচল থমকে দিয়ে সাধারন মানুষকে বিপাকে ফেলে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে চলা ওই অবরোধের মধ্যেই আচমকা হাসপাতালের নিরাপত্তার ঘেরাটোপ থেকে শিশুটিকে তুলে নিয়ে পালায় জনা কয়েক দৃষ্কৃতী। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বিদ্যুৎ গায়েন বলেন, ‘‘হাসপাতালের কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করছিলাম। হইচই শুনে বেরিয়ে এসে দেখি, জনাকয়েক

লোক শিশুটিকে নিয়ে দৌড়ে একটি গাড়িতে উঠে পালাল। তাদের পিছু ধাওয়া করেও হাসপাতালের কর্মীরা ধরতে পারেননি।’’

৩০ অগস্ট ভাতশালা গ্রামে একটি গাছতলায় ওই সদ্যোজাত শিশুটির খোঁজ মেলে। পুলিশ এসে ওই শিশুকে উদ্ধার করে হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। খোঁজ পাওয়ার পর থেকেই ভাতশালার নিঃসন্তান দম্পতি পরিতোষ ও তাপসী মল্লিক এসে শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। জেলা শিশু কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান রিনা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘শিশু দত্তক নিতে হলে সরকারি নির্দেশিকা মেনে তা নিতে হয়। ওই দম্পতি চাইলেই তো তাঁদের দত্তক দেওয়া যায় না।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy