Advertisement
E-Paper

বিকোচ্ছে মদ, চুপ প্রশাসন

হাতে ব্যাগ। ক্রেতা ও বিক্রেতা একে অপরের চেনা মুখ। ভরা বাজারেই ঘুরে বেরাচ্ছে ওরা। চোখে চোখে কথা বলে একটু আবডালে গিয়ে ব্যাগ খুলতেই বেরিয়ে গেল থাকে থাকে ব্যাগের মধ্যে সাজানো মদের বোতল। সবই দেশি। সঙ্গে প্লাস্টিকের গ্লাস। আয়তনটা চায়ের গ্লাসের দ্বিগুণ। এক গ্লাসের দাম ১০ টাকা। খাওয়া মিটতেই গ্লাস ছুঁড়ে ফেলে উঠে পড়লেন খদ্দের। ব্যাগের চেন টেনে বিক্রেতাও এবার নতুন ক্রেতার সন্ধানে বাজারের মধ্যে হাঁটা দিলেন। সুতি থানার নিমতিতা রেলগেট এলাকায় এভাবেই রমরমিয়ে চলছে দেশি ও চোলাই মদের কারবার। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, বিষয়টি আবগারি দফতরের কর্তাদের, থানায় একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৫ ০২:২৫

হাতে ব্যাগ। ক্রেতা ও বিক্রেতা একে অপরের চেনা মুখ। ভরা বাজারেই ঘুরে বেরাচ্ছে ওরা। চোখে চোখে কথা বলে একটু আবডালে গিয়ে ব্যাগ খুলতেই বেরিয়ে গেল থাকে থাকে ব্যাগের মধ্যে সাজানো মদের বোতল। সবই দেশি। সঙ্গে প্লাস্টিকের গ্লাস। আয়তনটা চায়ের গ্লাসের দ্বিগুণ। এক গ্লাসের দাম ১০ টাকা। খাওয়া মিটতেই গ্লাস ছুঁড়ে ফেলে উঠে পড়লেন খদ্দের। ব্যাগের চেন টেনে বিক্রেতাও এবার নতুন ক্রেতার সন্ধানে বাজারের মধ্যে হাঁটা দিলেন। সুতি থানার নিমতিতা রেলগেট এলাকায় এভাবেই রমরমিয়ে চলছে দেশি ও চোলাই মদের কারবার। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, বিষয়টি আবগারি দফতরের কর্তাদের, থানায় একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাজারের মধ্যে গজিয়ে ওঠা অসংখ্য মদ-গাঁজার ঠেকে ভিড় করছে সমাজবিরোধীরা। পরিস্থিতি এমনিই যে, নিরাপত্তার কারণে মহিলারা বাজারে আসা প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, পাকুড়–ধুলিয়ান রাজ্য সড়ক ধরে ওই মদ বাজারে ঢুকছে। শুধু মদ নয়, গাঁজাও বিক্রি হচ্ছে সমান তালে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, সব দেখেও চুপ করে রয়েছে পুলিশ, আবগারি দফতর।

দিন কয়েক আগে প্রকাশ্য দিবালোকে ভরা বাজারে মদের দোকান থেকে বেরিয়ে হাঁসুয়া এক সরকারি কর্মীর উপর চড়াও হতে দেখা গিয়েছিল। প্রাণে বাঁচলেও সেই কর্মী এখন কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সিপিএমের চন্দন দাস বলেন, ‘নিমতিতা রেল গেটের বাজার জুড়ে মদের দোকানের ছড়াছড়ি। প্রকাশ্যে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাজারে ঘুরছে তারা। পুলিশ, আবগারি দফতর সব দেখেও দেখে না।’’ যদিও আবগারি দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, নিমতিতা রেল বাজারে মদের অবাধ কারবারের কথা তাঁদের জানা নেই। কর্মীর অভাবে সব সময় অভিযানও চালানো যায় না বলে জানান জঙ্গিপুরের ডেপুটি কালেকটর ইমরান খান।

Advertisement

তিনি বলেন, ‘‘এমন খবর জানা নেই। তবে আবগারি দফতরের ওসিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে।’’ তবে আগের অভিজ্ঞতা থেকে আবগারি দফতরের মুখের কথায় আর বিশ্বাস রাখতে পারছে না নিমতিতা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy