Advertisement
E-Paper

চাকরি দিয়েও ফিরিয়ে নিল ডেলয়েট, স্বপ্নের সংস্থা থেকে প্রস্তাব পেয়ে পুরনো চাকরি ছেড়ে অথৈ জলে তরুণ

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সফ্‌টঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রাজীব অঞ্জনা একাধিক সাক্ষাৎকারের পর্ব সফল ভাবে পেরিয়ে ডেলয়েট থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চাকরির প্রস্তাবপত্র পেয়েছিলেন। তার আগে তিনি যে সংস্থায় চাকরি করতেন সেখানে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:০৩

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

ডেলয়েট থেকে চাকরির প্রস্তাব আসার পর পুরনো চাকরিতে ইস্তফা দিয়েছিলেন তরুণ। কিন্তু পদত্যাগ করার পরেই ডেলয়েট থেকে এমন একটি বার্তা আসে, যা দেখে মাথায় বাজ প়ড়ার মতো অবস্থা হল তরুণের। চাকরি করতে ডাকার কয়েক দিন পর মার্কিন অডিট সংস্থা ডেলয়ট থেকে তরুণকে দেওয়া চাকরির প্রস্তাবটিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সেই ইমেলের স্ক্রিনশট সমেত একটি পোস্ট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সফ্‌টঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রাজীব অঞ্জনা একাধিক সাক্ষাৎকারের পর্ব সফল ভাবে পেরিয়ে ডেলয়েট থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চাকরির প্রস্তাবপত্র পেয়েছিলেন। সেটি পেয়ে তিনি যে সংস্থায় চাকরি করতেন সেখানে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। সেই সংস্থায় নোটিস পিরিয়ড শেষ করার অল্প দিনের মধ্যেই তিনি একটি ইমেল পান বলে দাবি করেছেন রাজীব। সেই মেলে তাঁকে জানানো হয়, ডেলয়েট তাঁকে নিয়োগ করতে অপারগ। সমাজমাধ্যমে ঘটনাটির স্ক্রিনশট ও বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করে রাজীব বলেন, নামী সংস্থার আকস্মিক সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে তিনি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইমেলটি ডেলয়েটের ব্যাকগ্রাউন্ড ইনভেস্টিগেশন টিমের পক্ষ থেকে এসেছিল। তাতে বলা হয়েছিল, তাঁর নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

হৃদয়ভঙ্গের কষ্ট নিয়ে রাজীব পোস্টে লিখেছেন, “যখন আপনি নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেন, অন্যতম সেরা সংস্থায় সুযোগ পান, আর তার পর একদিন সকালে এই ধরনের খবর পান, তখন সত্যিই খুব কষ্ট হয়। আমি আমার সংস্থা থেকে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছি এবং আমার নোটিস পিরিয়ডও শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি বুঝতে পারছি না হাসব, না কাঁদব।”

Advertisement

ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় কী ভুল হয়েছিল তা বুঝতে তিনি ডেলয়েটের মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁকে জানানো হয়েছিল, বিবরণগুলো গোপনীয় এবং তা জানানো সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, মানবসম্পদ প্রতিনিধি তাঁকে পুনরায় যোগাযোগ না করার নির্দেশ দেন। এই প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যতের সুযোগগুলোর জন্য তাঁকে কার্যত কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রাজীব।

রাজীবের ঘটনাটি অনলাইনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বহু নেটাগরিক তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং নিজেদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। অনেকেই তাঁকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে বলেছেন হাল ছেড়ে না দিতে। কারণ এমন অনেকেই আছেন যাঁরা ডেলয়েটে সাক্ষাৎকারে উতরে গেলেও যোগদানপত্র পাননি। যদিও তাদের অনেকেই পরে বিশ্বখ্যাত সংস্থায় চাকরি করছেন উঁচু পদে।

Job
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy