Advertisement
E-Paper

রবিবাসরীয় প্রচারে ঝাঁপালেন চার প্রতিদ্বন্দ্বী

শেষ রবিবাসরীয় ভোট-প্রচার বলা যায়। তাই পায়ে হেঁটেই হোক বা জিপে রবিবার বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র চষে বেড়ালেন চার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। গাড়িতে প্রচারে বেরিয়ে মুখোমুখি দেখা হয়ে গেল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আরএসপি-র প্রমথেশ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের ইন্দ্রনীল সেনের।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০১৪ ২৩:৫৯

শেষ রবিবাসরীয় ভোট-প্রচার বলা যায়। তাই পায়ে হেঁটেই হোক বা জিপে রবিবার বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র চষে বেড়ালেন চার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। গাড়িতে প্রচারে বেরিয়ে মুখোমুখি দেখা হয়ে গেল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আরএসপি-র প্রমথেশ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের ইন্দ্রনীল সেনের। অন্যত্র তখন ধুলো ওড়া পথে পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন অধীর চৌধুরী। সভা করার পর বাড়ি-বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ সেরে রাখলেন বিজেপি-র দেবেশ অধিকারীও।

আগামী রবিবার ১১ মে-র পরদিনই বহরমপুরে ভোট। ফলে ওই দিন প্রচার করা যাবে না। এই রবিবার তাই সকাল থেকেই প্রচারে নেমে পড়েন চার প্রার্থী।

রেজিনগর বিধানসভার রামপাড়া ১ পঞ্চায়েতের লোকনাথপুর মোড়ের কাছে মুখোমুখি হয়ে যান আরএসপি ও তৃণমূল প্রার্থী। ঘড়িতে তখন সকাল ১০টা ৪০। রোড-শোয়ে হুড খোলা জিপসি গাড়িতে ইন্দ্রনীলবাবু। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে হুড খোলা জিপেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন প্রমথেশবাবু। মুখোমুখি দেখা হতেই দু’জনের মধ্যে নমস্কার বিনিময় হয়। ওই টুকুই। নিমেষের মধ্যে প্রমথেশবাবু হুড খোলা জিপে চড়ে প্রচারে বেরিয়ে যান। আর জিপ থেকে নেমে ভাগীরথীর পশ্চিম পাড়ের শক্তিপুর এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত হুড খোলা জিপে চষে বেড়ান তৃণমূল প্রার্থী। এদিন ‘গায়েন’ ইন্দ্রনীল সেনের ভোটপ্রচারে সঙ্গী ছিলেন ‘বায়েন’ তন্ময় বসু। কথায়-কথায় জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি হুমায়ুন কবীর জানান, গত ২ ও ৩ মে ভাগীরথীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড় মিলিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ১০টি সভা করেছেন। এ দিন তারই পাল্টা আয়োজন তৃণমূলের। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে হুমায়ুন বিকেলের দিকে মির্জাপুর-১ দক্ষিণপাড়া, মাড্ডা, দেবকুণ্ড, বড়ুয়া মোড়ে মোট চারটে সভা করেন।

প্রমথেশবাবু এ দিন সকালের দিকে রেজিনগর, লোকনাথপাড়া, রামপাড়া, মাঙ্গনপাড়া, ধাপড়া, দাদপুর, তকিপুরের একটা অংশে হুড খোলা জিপে চড়ে রোড-শো করেন। পরে বিকেলের দিকে দাদপুরে সিপিএমের লোকাল কমিটির সদস্য প্রদীপ তরফদারের স্মরণসভায় হাজির হন তিনি। ওই সভায় হাজির ছিলেন সিপিএমের নৃপেন চৌধুরী, মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য, শেখর সাহা ও বদরুদ্দিন শেখ। প্রমথেশবাবুর কথায়, “ওই স্মরণ সভা মানুষের ভিড়ে সভায় পরিণত হয়।” পরে তকিপুরে পথসভা সেরে বহরমপুরে ফিরে আসেন তিনি।

প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্দ্রনীল সেন ও প্রমথেশ মুখোপাধ্যায় যখন হুড খোলা জিপসি ও জিপে চড়ে প্রচারে, তখন নওদা এলাকার এলেমনগর গ্রামের ধুলো ওড়া পথে পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন অধীর চৌধুরী। সকাল ১১টা থেকে পাক্কা ৪০ মিনিট রোদ মাথায় ঘুরে গ্রামের মানুষদের সঙ্গে মিশে যান তিনি। তার আগে পাটিকাবাড়িতে একটি সভাও করেন। পরে বহরমরপুর ফিরে আসেন। ফের সন্ধ্যায় ওই নওদা এলাকায় গিয়ে আরও ছ’টি সভা করেন অধীরবাবু। সর্বাঙ্গপুর, শ্যামনগর, সোনাটিকুরি-বাদশানগর, ঝাউবোনা-ত্রিমোহিনী, ঘোড়ামারা, কালীতলার সভায় অধীরবাবুর সঙ্গে ছিলেন বহরমপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি অতীশ সিংহ, এলাকার বিধায়ক আবু তাহের খান ও জেলা পরিষদের কৃষি ও সেচ কর্মাধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন।

বিজেপির দেবেশ অধিকারী সকালে বহরমপুরের মধুপুর বাজারে সভা করেন। পরে পাড়ায়-পাড়ায় জনসংযোগে বের হন তিনি। বিকেলের দিকে হাতিনগর-মণীন্দ্রনগরে পদযাত্রা করে হাতিনগরে সভা করেন। ওই সভা শেষে যান ভাটপাড়ায় সভা করতে।

election campaign berhampur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy