Advertisement
E-Paper

বলে দেওয়া ১৩ নথির বাইরেও অন্য নথি দিয়েছেন কারা? যাচাই করবেন পর্যবেক্ষক, প্রয়োজনে ফের শুনানিতে ডাক! জানাল কমিশন

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের শুনানিতে মোট ১৩টি নথি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কী কী নথি নেওয়া হবে আগেই তা বলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে অন্য কোনও নথি জমা পড়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

এসআইআর শুনানিতে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও)-দের আপলোড করা সমস্ত নথি যাচাই করতে হবে। বিশেষ রোল পর্যবেক্ষকদের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

শুক্রবার কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের শুনানিতে মোট ১৩টি নথি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কী কী নথি নেওয়া হবে আগেই তা বলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে অন্য কোনও নথি জমা পড়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

এখন রাজ্যে এসআইআরের জন্য মোট ১ কোটি ২৬ লক্ষ ভোটারের শুনানি চলছে। এই শুনানিপর্বে কমিশনের নজরে পড়েছে, অনেক ভোটারের ১৩টির বাইরেও অন্য নথি জমা পড়েছে। কমিশনের একটি সূত্রে খবর, অনেক জায়গায় দেখা গিয়েছে ব্যাঙ্কের পাশবই, রেশন কার্ড, রান্নার গ্যাসের বই, জব কার্ড-সহ ১৩টির বাইরে নথি জমা নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যবেক্ষকদের ওই ভোটারদের খুঁজে বার করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া প্রয়োজনে ওই সব ভোটারকে আবার ডেকে পাঠানো হতে পারে। ভবিষ্যতেও ওই ধরনের নথি নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আগে নথি যাচাইয়ের জন্য চার জন রোল-পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন। সম্প্রতি আরও ১২ জন রোল-পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই কেন্দ্রের নানা মন্ত্রকের সিনিয়র অফিসার। সংশ্লিষ্টদের জাতীয় নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করেছে সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায়। পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা বিধিসম্মত করাই এর অন্যতম লক্ষ্য। আবার অন‍্য যে রাজ‍্যগুলিতে এসআইআর চলছে, সেখানেও এমন নিয়োগ করা হয়েছে। তবে তেমন ১২টি রাজ্যের মধ্যে এ রাজ্যে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা সর্বাধিক। অন্য দিকে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে সে ক্ষেত্রে নথির প্রয়োজন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জন্য ১৩টি নথির উল্লেখ করে কমিশন।

কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় প্রথমেই আছে কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (পিপিও)। রাজ্য অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী হলে ওই নথি পাওয়া সম্ভব। স্থায়ী ভাবে কাজ করছেন অথবা অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছে ওই নথি থাকার কথা। এ ছাড়া ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি, পাসপোর্ট, জন্মের শংসাপত্র, শিক্ষাগত শংসাপত্র, স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র, বনাধিকার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্র, জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম থাকলে সেই তথ্য, বংশতালিকার শংসাপত্র, সরকারের দেওয়া জমির নথি, আধার কার্ডও গ্রহণযোগ্য।

SIR West Bengal SIR SIR hearing Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy