আগের জামানার জমি সিন্ডিকেটের রাশ এখন কার হাতে, খোঁজ নিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, তৃণমূল জামানার জমি সিন্ডিকেট কিছু-কিছু ব্লকে এখনও চলছে। সেই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক থাকা তৃমমূল নেতারা হয় ফেরার নয়তো কোণঠাসা বলে দাবি। সেক্ষেত্রে সিন্ডিকেট কারা চালচ্ছে খোঁজ নিচ্ছে নেতৃত্ব। সূত্রের দাবি, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ব্লক থেকে জমি নিয়ে চোরাকারবারির কয়েকটি অভিযোগ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গিয়েছে। তাতেই খোঁজ পড়েছে সিন্ডিকেটের। সূত্রের দাবি, এক সরকারি আমলা এই সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন বলে অভিযোগ। সেই আমলা বছর দু’য়েক ধরে জলপাইগুড়িতে কর্মরত থাকলেও বর্তমানে তিনি দূরে সরে রয়েছেন। তাঁর নামে অন্য মামলা চলছে বলে দাবি। সেক্ষেত্রে এখনও কি তিনিই নেপথ্যে থেকে রাজগঞ্জ-সহ একাধিক ব্লকের জমির কেনাবেচার কলকাঠি নাড়ছেন, সে প্রশ্নও উঠেছে।
বিজেপির এক রাজ্য নেতার কথায়, ‘‘অনেক কিথুই আমাদের কানে আসছে। তবে সকলে একটা কথা কান খুলে শুনে নিতে পারে, বর্তমানে কোনও সিন্ডিকেটই চলবে না। এখনও যাঁরা এই কথা বুঝতে পারছেন না, দ্রুত বুঝে যাবেন।’’ সরকারি একাংশ কর্মী এবং আধিকারিকের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। জলপাইগুড়ি থেকে বদলি হয়ে যাওয়া এক ডব্লিবিসিএস অফিসার সম্প্রতি বেশ কয়েকজনকে ফোন করে সিন্ডিকেট চক্রের খোঁজখবর করছেন বলেও দাবি। সেই অফিসারও জমির অবৈধ কেনাবেচা এবং নাম বদলের অভিযোগে যুক্ত ছিল বলে দাবি। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, তৃণমূলের অন্দরের ছোট-মেজ নেতাদের কয়েকজন জমির অবৈধ কেনাবেচায় এখনও যুক্ত। জেলার এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘‘কয়েকজন নানা ভাবে আমাদের দলে ঢোকার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনও লাভ হবে না।’’
সম্প্রতি রেল-সহ বেশ কয়েকটি প্পরকল্পে জমি অধিগ্রহণ হবে। তার আগে ফের সিন্ডিকেট চক্র মাথা তুলেছে বলে অভিযোগ। তবে প্রশাসনের দাবি, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ভাবে করতে সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)