Advertisement
E-Paper

BJP: কোথায় গেলেন নেতারা, জেলা বিজেপি দলে প্রশ্ন

হাজিরার কড়া ফতোয়া জারি করেও ক্ষুব্ধ, বিরক্ত এবং হতাশ নেতাদের কি দলের বৈঠকে ফেরানো যাবে?

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২১ ০৭:০৬
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

নেতার দেখা নাই রে, নেতার দেখা নাই! বিজেপির একের পর জেলা এবং ব্লক কমিটির বৈঠকে পদাধিকারীদের দেখাই মিলছে না। বিধানসভা ভোটে বিজেপির রাজ্য দখলের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যেও যে হতাশা তৈরি হয়েছে, তা দলের নেতৃত্ব বারবার স্বীকার করেছেন। দলকে চাঙ্গা করতে জেলাস্তর থেকে ব্লক পর্যন্ত পরের পর বৈঠক করছে বিজেপি। কিন্তু সেই বৈঠকে অনুপস্থিত থাকছেন বহু নেতাই। ফোন করলে বলছেন, “একটু ব্যস্ত ছিলাম।”

বিজেপি নেতৃত্বের আশঙ্কা, এ ভাবে চললে পুরভোটে লড়াই সম্ভব নয়। তাই শক্ত হাতে মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। দলে নির্দেশ এসেছে, পরপর তিনটে বৈঠকে যদি কোনও পদাধিকারী অনুপস্থিত থাকেন, তা হলে সেই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হবে। নেতার জবাব সন্তোষজনক না হলে, তাঁর পদ যেতে পারে বলেও দলের তরফে জানানো হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে এই নির্দেশ আসার পরেও সুরাহা হয়নি বলে দাবি। উল্টে ‘লুকোচুরি’ খেলা চলছে বলে বিজেপির অন্দরে খবর। গেরুয়া শিবিরের এক নেতার কথায়, “এখন বেশিরভাগ পদাধিকারীই একটি বৈঠকে এসে পরের দু’টিতে আসছেন না। এতে নিয়মও বাঁচল, পদও বাঁচল।” বিজেপিতে এই নতুন নিয়ম চালু হয়েছে জেলা কমিটি এবং মণ্ডল তথা ব্লক কমিটির বৈঠকে। বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, “দল নির্দেশ পাঠিয়েছে। সে-কথা সর্বস্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

জানিয়েও কি লাভ হয়েছে কিছু?

বিজেপি সূত্রের খবর, গত সপ্তাহেই রাজ্য থেকে একটি প্রশিক্ষণ শিবির হয়েছিল জলপাইগুড়িতে। তাতে জেলার প্রায় দশ পদাধিকারীই অনুপস্থিত ছিলেন। জেলা কমিটির একটি বৈঠকে পদাধিকারীদের অনুপস্থিতির কারণে আলোচনা শুরু করতেই ঘণ্টাখানেক দেরি হয়ে যায়। শেষে সকলকে ফোন করে ডেকে নিয়ে বৈঠক করতে হয়েছে। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর বৈঠকে তো জেলার সম্পাদক পদের কয়েকজন অনুপস্থিত ছিলেন। দলের নেতাদের একাংশের দাবি, নেতৃত্ব একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার কারণেই বিরক্ত হয়ে অনেকে বৈঠকে যাচ্ছেন না। দলের এক নেতার কথায়, “জেলা কমিটির বৈঠক ছাড়াই জেলার একটি পুরসভার পর্যবেক্ষক মনোনীত করেছে নেতৃত্ব। জেলা কমিটির অনুমোদন ছাড়া এমন করার মানে জেলা কমিটির কোনও গুরুত্ব নেই, তাই বৈঠকে যাই না।”

হাজিরার কড়া ফতোয়া জারি করেও ক্ষুব্ধ, বিরক্ত এবং হতাশ নেতাদের কি দলের বৈঠকে ফেরানো যাবে, এটাই এখন জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপির অন্দরে বড় প্রশ্ন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy