করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আড়াইশোর গণ্ডি পেরোল কোচবিহার। শনিবার জেলার আরও ১৩ জন বাসিন্দার লালারস পরীক্ষার পজ়িটিভ রিপোর্ট প্রশাসনের হাতে পৌঁছয়। প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, সংক্রমিতদের সকলেই ভিনরাজ্য ফেরত। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫৫ জন। তবে সংক্রমিতদের অনেকেই সুস্থও হয়ে উঠছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এ দিন আরও ৬৩ জনের সুস্থ হয়ে ওঠার তথ্য মিলেছে। সেইসঙ্গে ১৬৮ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ মিলেছে।
জেলাশাসক পবন কাদিয়ান জানিয়েছেন, ১৩ জনের রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। এঁদের মধ্যে কোচবিহার সদর মহকুমার পাঁচজন, তুফানগঞ্জের চারজন, মাথাভাঙার তিনজন এবং দিনহাটার একজন বাসিন্দা। আক্রান্তদের তিনজন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়রান্টিনে আছেন। ১০ জন হোম কোয়রান্টিনে।
প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, লকডাউন শুরুর প্রথম পর্বে কোচবিহার প্রায় দু’মাস গ্রিন জ়োনে ছিল। ভিনরাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরতে শুরু করার পর থেকেই ছবিটা বদলাতে শুরু করে। তবে প্রথমদিকে পজ়িটিভ রিপোর্ট পাওয়া অনেকে ফের পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট পান। সুস্থও হয়ে উঠেছেন। পরিবার থেকে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সংক্রমিতদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি, ওই ভাবনা মাথায় রেখেই কন্টেনমেন্ট জ়োন এলাকায় পুলিশের রুট মার্চে জোর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা মোকাবিলা বিষয়ক জেলা টাস্ক ফোর্সে ওই ব্যাপারে আলোচনা হয়। তার পরেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পুলিশের রুট মার্চ শুরুও হয়েছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের উপর বিশেষ নজর রাখার জন্য ব্লক প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক পবন কাদিয়ান বলেন, “আক্রান্তদের পরিবার, এলাকার বাসিন্দাদের ভরসা দিতে কন্টেনমেন্ট এলাকায় পুলিশকে রুট মার্চ করতে বলা হয়েছে।” কোচবিহারের পুলিশ সুপার সন্তোষ নিম্বলকর জানান, সব কন্টেনমেন্ট এলাকায় রুট মার্চ হচ্ছে।