E-Paper

টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ

সমিত সরকার, তুষার দাস-সহ গ্রামবাসীরা জানান, রাধিকাপুর সেতু সংলগ্ন রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধিকাপুর গ্রামে টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ ভাবে বিশাল বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৪৬
টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে।

টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে। নিজস্ব চিত্র ।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ ভাবে বাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠল কালিয়াগঞ্জ ব্লকের রাধিকাপুরে। অবৈধ নির্মাণকাজের জন্য নদীর পাশের প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো বটগাছ কেটে ফেলা হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা বন দফতর ও কালিয়াগঞ্জ থানায় গণস্বাক্ষর-সম্বলিত লিখিত অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা।

জেলা বনাধিকারিক ভূপেন বিশ্বকর্মার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি সুদীপকুমার প্রধান বলেন, ‘‘অভিযোগের ভিত্তিতে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়ছে।’’ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সমিত সরকার, তুষার দাস-সহ গ্রামবাসীরা জানান, রাধিকাপুর সেতু সংলগ্ন রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধিকাপুর গ্রামে টাঙ্গন নদীর ধারে অবৈধ ভাবে বিশাল বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। নদী থেকে প্রায় ১০-১৫ ফুট দূরে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। নদীর পাড়ে কী ভাবে বাড়ি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গ্রামবাসীরা। নদীর পাশে নির্মীয়মাণ বাড়ি ঘেঁষা প্রায় ২৫০ বছরের একটি বটগাছ রয়েছে। অভিযোগ, নদীর পাশে অবৈধ নির্মাণকাজের জন্য সুপ্রাচীন গাছটি কাটা পড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

ওই জমি নিজ মালিকানাধীন বলে দাবি করেছেন রাধিকাপুরের বাসিন্দা তফিজার আলি। তফিজার বলেন, ‘‘ওখানে সাত শতক জমি রয়েছে আমার। তার মধ্যে তিন শতক জমির উপরে নির্মাণকাজ চলছে। কাগজপত্র দেখেই প্রায় বছর দেড়েক আগে জমিটি কিনেছি। সরকারি নিয়ম মেনেই নির্মাণকাজ চলছে।’’ রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভরনা রায় বলেন, ‘‘বটগাছ থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে বাড়ি তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ওঠায় সব খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Illegal Construction

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy