Advertisement
E-Paper

সবাইকে মাঠে ডেকে তোলাবাজির টাকা ফেরালেন তৃণমূল নেতারা! কাকে, কেন টাকা দিতে হয়েছে, লিখছেন বাসিন্দারা

অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ওই এলাকায় জমি বিক্রি থেকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া হয়েছে। কারণ-অকারণে ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে তোলা নেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ১৬:২৯
Money Banck

মাঠে জনসাধারণকে টাকা ফেরত দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। —নিজস্ব চিত্র।

বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে এলাকাবাসীদের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানি ফেরালেন তৃণমূলের নেতারা। এক নেতা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে ঘরছাড়া। তাঁর বাবা ছেলের হয়ে টাকা ফিরিয়েছেন। রবিবার কোচবিহারের মাথাভাঙার ঘটনা।

দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের নানা জায়গায় তৃণমূলের নেতা থেকে জনপ্রতিনিধিরা গ্রেফতার হচ্ছেন। এই অবস্থায় মাথাভাঙা-১ ব্লকের পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ফকিরেরকুঠি এলাকায় স্কুলমাঠে এলাকাবাসীদের ডেকেছিলেন তৃণমূল নেতারা। সবাইকে ডেকে তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে নেওয়া টাকা ফিরিয়ে দেন ওই নেতারা।

অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ওই এলাকায় জমি বিক্রি থেকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া হয়েছে। কারণ-অকারণে ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে তোলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য থেকে কয়েক জন নেতাও রয়েছেন। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ওই নেতাদের আর এলাকায় দেখা যায়নি। এখনও অভিযুক্ত এক পঞ্চায়েত সদস্যের দেখা নেই।

বাড়িতে না থাকলেও টাকা ফেরাতে শুরু করেছেন অনেক তৃণমূল নেতাই। মাথাভাঙা-১ ব্লকের পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ফকিরেরকুঠি এলাকায় তৃণমূলের এক বুথ সভাপতি তপন দে নিজেই কয়েক জনের টাকা ফিরিয়েছেন। বুথ সভাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এলাকার ‘প্রভাবশালী’ তৃণমূল নেতা বাবাই বর্মণের বাবাও। তিনি নিজেও ছেলের অনুপস্থিতিতে কয়েক জনকে টাকা ফেরান।

সুদীপ দাস নামে এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, জমির মীমাংসা করার নামে তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন স্থানীয় নেতা। কিন্তু মীমাংসা হয়নি। কয়েক জনের মুখে শোনেন, তৃণমূল নেতারা টাকা ফেরাচ্ছেন। তাই ওই এলাকায় গিয়ে তিনি নাম লেখিয়েছিলেন। টাকাও ফেরত পেয়েছেন। বিজেপিকে সমর্থন করেন বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল বলে দাবি মিঠুন বর্মণ এবং নিখিল বর্মণের। তাঁরাও রবিবার কিছু টাকা ফেরত পান।

বিজেপির মাথাভাঙা-৪-এর মণ্ডল সভাপতি সুরেন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘‘এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য-সহ কয়েক জন তৃণমূল নেতা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন বলে হিসাব পেয়েছি। পঞ্চায়েত সদস্য উপস্থিত না থাকলেও দু’-একজন তৃণমূল নেতা উপস্থিত থেকে কয়েক জনকে টাকা ফেরালেন।’’ যাঁরা এই টাকা ফেরালেন, তাঁদের কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

Cooch Behar TMC Cut Money
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy