Advertisement
E-Paper

BJP: সংবাদমাধ্যমকে তথ্য দিচ্ছেন কে, বিতণ্ডা বিজেপির বৈঠকে

বিজেপির অফিসে বৈঠকের মূল আলোচ্য ছিল, ভোট-পরবর্তী সময়ে যে নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি।

অনির্বাণ রায়

শেষ আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:২১
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দলের অন্দরের তথ্য-অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হচ্ছে কী ভাবে, সেই প্রসঙ্গে তুমুল বিতণ্ডা বিজেপির জেলা পদাধিকারীদের বৈঠকে।

রবিবার দুপুরে বিজেপির অফিসে বৈঠকের মূল আলোচ্য ছিল, ভোট-পরবর্তী সময়ে যে নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি। যদিও প্রায় পুরো বৈঠক জুড়েই সাংবাদমাধ্যমে অন্দরের খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে উত্তপ্ত আলোচনা চলতে থাকে বলে খবর। কে বা কারা সংবাদমাধ্যমকে দলের অন্দরের খবর দিচ্ছেন, তা নিয়ে পরস্পরকে তুমুল দোষারোপও চলে। বৈঠকে দাবি ওঠে, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কারা কথা বলবেন, কারা বলতে পারবেন না তার রূপরেখা তৈরি হোক। বৈঠকে দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপে আলোচনা উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক নেতার চোখ দিয়ে জল গড়াতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে কিছুক্ষণের জন্য। দলের কাজে এক পদাধিকারী অব্যাহতিও চান বলে সূত্রের খবর।

ভোট-পরবর্তী সময়ে ‘আক্রান্ত’ নেতা-কর্মীদের ক্ষতিপূরণ দিতে শুরু করেছে বিজেপি। তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ব্লক বা জেলা থেকে যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দিয়ে রাজ্য কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল অনেক ক্ষেত্রেই তার থেকে টাকা কমিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। নেতৃত্বের একাংশের তরফে দাবি করা হয়, যতটা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল, কিছু ক্ষেত্রে তার থেকে কম ক্ষতি হয়েছে বলে যাচাই করে দেখা গিয়েছে। সেই সব ক্ষেত্রেই ক্ষতিপূরণের হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি বিজেপি রাজনৈতিক কারণে অভিযোগগুলি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখিয়েছে। সেই সঙ্গে জেলা কমিটির এক নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মস্যাৎ করার অভিযোগও উঠেছে। যদিও ওই নেতার দাবি, তিনি কারও থেেক এক টাকাও নেননি। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চাকরি দেবে বলে টাকা নিয়েছিল। রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দায়ী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এ দিন বিজেপির বৈঠকে স্থির হয়েছে, সাংবাদমাধ্যমে কোনও নেতা কখন কবে কী বিবৃতি দিচ্ছেন, তা কড়া নজরে রাখা হবে। এ দিনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সব নথিপত্র দলের নেতারা সংগ্রহ করে আইনজীবীদের দেবেন, সে সব নিয়ে মামলা হবে। দলের সব বিধায়ক এবং সাংসদেরা একদিন করে জেলা পার্টি অফিসে বসবেন সে সিদ্ধান্তও হয়েছে এ দিনের বৈঠকে।

দলের জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, “সাংগঠনিক বিষয়ে কিছু বলার নেই।” ধূপগুড়ির বিধায়ক তথা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণুপদ রায় বলেন, “আমাদের কর্মসূচির কথা সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করে না, শুধু মিথ্যে অভিযোগ লেখে। যদিও তাতে আমরা আমল দিচ্ছি না। একশো দিনের কাজে দুর্নীতি-সহ মানুষের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy