Advertisement
E-Paper

ত্রিপুরার চালক রাস্তায় চা কেনায় কোয়রান্টিনে দোকানি-পরিবার

সূত্রের খবর, চেন্নাইয়ের বাসিন্দা ওই অ্যাম্বুল্যান্স চালক দুই রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকেদের নিয়ে গত সপ্তাহের সোমবার রাতে ত্রিপুরায় যান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২০ ০৭:০০
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

শুরুতেই দানা বেঁধেছিল সন্দেহ। অবশেষে যা সত্যি-ই হল।

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ত্রিপুরা থেকে নিজের শহরে ফেরার সময় আলিপুরদুয়ার জেলার কোথাও চেন্নাইয়ের অ্যাম্বুল্যান্স চালক দাঁড়িয়েছিলেন কিনা, আগেই তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই সময় পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছিল, আলিপুরদুয়ার জেলায় দীর্ঘ পথ অতিক্রম করলেও কোথাও দাঁড়াননি ওই ব্যক্তি। কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, পরবর্তীকালে পুলিশের তদন্তেই উঠে আসে, ওই ব্যক্তি হাসিমারায় একটি দোকানে দাঁড়িয়ে চা পাতা কিনেছিলেন। যার জেরে সেই দোকানের মালিকের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের আরও পাঁচজনকে কোয়রান্টিন সেন্টারে রাখল স্বাস্থ্য দফতর। করোনা পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই তাঁদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য কর্তারা জানিয়েছেন।

সূত্রের খবর, চেন্নাইয়ের বাসিন্দা ওই অ্যাম্বুল্যান্স চালক দুই রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকেদের নিয়ে গত সপ্তাহের সোমবার রাতে ত্রিপুরায় যান। সেখানে করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা নেওয়ার পরই তিনি চেন্নাই রওনা হয়ে যান। এরই মধ্যে বুধবার রাতে তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। অভিযোগ, ততক্ষণে অসম সীমানা পার করে আলিপুরদুয়ার জেলার বিস্তীর্ণ পথ বিনা বাধায় অতিক্রম করে জলপাইগুড়ি জেলায় ঢুকে পড়েন তাঁরা। তাঁকে আটকাতে জলপাইগুড়ি জেলার প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন ত্রিপুরার প্রশাসনিক কর্তারা। ধূপগুড়িতে অ্যাম্বুল্যান্স আটকে তাঁদের শিলিগুড়ির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলায় এত নাকা পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও করোনায় আক্রান্ত একজন রোগী কী করে বিনা বাধায় অসম সীমানা পেরিয়ে আলিপুরদুয়ারের উপর দিয়ে জলপাইগুড়ি পৌঁছে গেল তা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু সেই সময় পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্তারা জানান, পাকড়িগুড়িতে ওই ব্যক্তির থার্মাল স্ক্রিনিং হয়। তারপর জলপাইগুড়ির সীমানায় প্রবেশ পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারের কোথাও তিনি অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে দাঁড়াননি। পরে পুলিশের তদন্তেই উঠে আসে, হাসিমারার দোকানে চা পাতা কেনেন তিনি।

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy