×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১১ মে ২০২১ ই-পেপার

রিপোর্টে কি ঠিক প্রতিফলন থাকছে, প্রশ্ন

করোনা আক্রান্ত গৌতম দেবও

নিজস্ব সংবাদদাতা
শিলিগুড়ি ০৭ নভেম্বর ২০২০ ০৫:৪০
গৌতম দেব। ফাইল চিত্র।

গৌতম দেব। ফাইল চিত্র।

পুজোটা শেষের ঠিক পরেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের ভাইরোলজি ল্যাবরেটরির যা রিপোর্ট মিলেছিল তাতে সংক্রমণের হার বেড়েছে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এখন আবার সেই হার কিছুটা কমের দিকে বলে ইঙ্গিত মিলেছে, এমনটাই খবর মেডিক্যাল সূত্রে। যদিও আদতে সংক্রমণ কমেনি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এ দিন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গে করোনা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সুশান্ত রায় বলেন, ‘‘সংক্রমণ বাড়ছে বলেই আমাদের ধারণা। আক্রান্তের সংখ্যাও পুজোর পর এখন বাড়ছে। আরটিপিসিআর এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটের হিসাব মিলিয়ে দেখলে প্রকৃত তথ্য মিলবে। আমরা সেটা বিস্তারিত খতিয়ে দেখছি।’’

আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে লালারসের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে যায়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের ভাইরোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ডায়গন্যাস্টিক ল্যাবরেটরির দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অরুণাভ সরকার জানান, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটে করোনা পরীক্ষা হয়ে থাকে। পুজোর পর সংক্রমণ কতটা বাড়ছে তা নজরদারির জন্য সব জেলায় পরীক্ষা বাড়াতে বলা হয়েছে। সেই কারণে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটে আগের চেয়ে বেশি সংখ্যায় পরীক্ষা হচ্ছে। তাতে পজ়িটিভও পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোর নমুনা মেডিক্যালের ল্যাবরেটরিতে আর আসছে না। যে নমুনা র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটে নেগেটিভ আসছে সেগুলির একটা অংশ নিশ্চিত হতে মেডিক্যালে পাঠানো হয় যদি ওই ব্যক্তির উপসর্গ থাকে। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, পাহাড়ের গ্রামাঞ্চল তথা গ্রিন জোনের মতো জায়গায় থেকে, কিয়স্কগুলোতে যারা লালারস দিচ্ছেন সে সব নমুনা সংগ্রহ করে মেডিক্যালে পাঠানো হচ্ছে। ওই সমস্ত এলাকায় সংক্রমণের হার কম। অরুণাভ বলেন, ‘‘মেডিক্যালের ল্যাবরেটরিতে পজিটিভিটির হার কম হলেও সংক্রমণ কমেছে বলা যাবে না। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটে অনেক পজিটিভ রোগী আগেই চিহ্নিত হয়ে যাচ্ছে। যে নমুনা ল্যাবরেটরিতে আসছে তার অনেকাংশ গ্রিন জোন থেকে সংগ্রহ হচ্ছে। সে কারণে আরটিপিসিআর রিপোর্টে সংক্রমণের হার কম। পাহাড়ে বা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সংগ্রমণ কম বলা যেতে পারে।’’ বরং পুজোর পর মেডিক্যালের ল্যাবরেটরিতে নমুনা সংখ্যা বেড়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানান তিনি।

Advertisement
Advertisement