Advertisement
E-Paper

লাল আমের চারা এল বাংলায়, রাজ্যেই এ বার ফলবে স্বাদে-গন্ধে-দামে ‘রাজকীয়’ রসালো

দু’ফুট চওড়া, দু’ফুট লম্বা এবং দু’ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে বসানো হবে এই চারা। সেই গর্তে ৬০ শতাংশ মাটি ও ৪০ শতাংশ জৈব বা গোবর সার দিতে হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:২০
image of mango tree

‘মিয়াজ়াকি’ আমের চারা এল বাংলায়। — নিজস্ব চিত্র।

বিশ্বের সব থেকে দামি আম এ বার ফজলির দেশ মালদহে। এক কেজি এই আমের দাম দু’লক্ষ টাকা। নাম ‘মিয়াজ়াকি’। সেই আমের চারা এল বাংলায়। এক একটি চারার দাম ৯৫০ টাকা। জাপান থেকে আনানো হল মিয়াজ়াকির ৫০টি চারা।

জেলা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাগিচা উদ্যান পালন দফতরের আধিকারিক সামন্ত লায়েক জানান, ইংরেজবাজার ফার্মার মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিমিটেড নামক একটি সংস্থাকে এই চারাগুলি দেওয়া হয়েছে। তারাই চারাগুলির লালন পালন করবে। আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে এই দামি আমের চাষ শুরু হচ্ছে। সামন্ত জানান, দু’ফুট চওড়া, দু’ফুট লম্বা এবং দু’ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে বসানো হবে এই চারা। সেই গর্তে ৬০ শতাংশ মাটি ও ৪০ শতাংশ জৈব বা গোবর সার দিতে হবে। গাছের গোড়ায় বৃষ্টির জল যাতে না জমে, সে দিকে বিশেষ নজর রাখতে।

সামন্ত আরও জানিয়েছেন, প্রথম বছর থেকেই ফলন শুরু হবে গাছে। তবে তিন-চার বছর পর থেকে আমের ফলন নিলে ভাল হয়। কারণ, গাছটির শাখা-প্রশাখা বাড়লে তার ফলনও বাড়বে। ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত ফলন হবে এই গাছে। কৃষক বন্ধু সৈফুদ্দিন শেখ জানান, এই আমের চাষ আগে কখনও করেননি। ফলে নতুন অভিজ্ঞতা। নতুন চ্যালেঞ্জ। মালদহ জেলা মাঙ্গো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, ‘‘এই প্রজাতির আম মালদহে ফলন শুরুর ফলে আম চাষে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। বাণিজ্যিক ভাবে লাভবান হবে এই জেলার আমচাষিরা। রফতানিও হবে। বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন হবে।’’

Mango Japan Maldah Farming
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy