Advertisement
E-Paper

জোড়া ফলায় ভয় বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, জেই

শিলিগুড়ি শহর এবং লাগোয়া এলাকার আরও ৩ জনের শরীরে মিলল ডেঙ্গির জীবাণু। মঙ্গলবার জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ি পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। একজন ফাঁসিদেওয়ার এবং অপর জন জলপাইগুড়ির ভক্তিনগর থানার মাইকেল মধুসূদন কলোনির বাসিন্দা।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১০ অগস্ট ২০১৬ ০২:৩৫

শিলিগুড়ি শহর এবং লাগোয়া এলাকার আরও ৩ জনের শরীরে মিলল ডেঙ্গির জীবাণু। মঙ্গলবার জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ি পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। একজন ফাঁসিদেওয়ার এবং অপর জন জলপাইগুড়ির ভক্তিনগর থানার মাইকেল মধুসূদন কলোনির বাসিন্দা। তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন।

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার জাপানি এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তি মারা গিয়েছেন। তাঁর নাম গৌতম কোচ (৬৩)। তিনি অসমের বাসিন্দা। অ্যাকিউট এনসেফ্যালাইটিসে ৪ জন ভর্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৩ জনের জেই।

এ দিন পরিস্থিতি নিয়ে পুরসভায় বৈঠক করেন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অসিত বিশ্বাস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। শহরের কোথায় কতজন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতর থেকে পুরসভাকে তা সরাসরি জানানো হচ্ছে না বলে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে অভিযোগ করেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘‘পুরসভা পরিস্থিতি নিয়ে আর আগেও তিনটি বৈঠক করেছেন। ডাকা হলেও সেগুলির কোনওটিতে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আসেননি। তাতে রোগ সংক্রমণ ঠেকাতে পুরসভার সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের সমন্বয়ের অভাব ঘটছে।’’ এর পরেই ঠিক হয়েছে প্রতি সপ্তাহে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ এবং আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন।

এদিকে জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ব্যাপারে কেন স্বাস্থ্য দফতরে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে না, কোচবিহার জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তা জানতে চাইলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সোমবার দুপুরে জ্বরে আক্রান্তদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে কোচবিহার জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে যান তিনি।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, ওই হাসপাতালে জ্বরে আক্রান্ত ২৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের রক্তে ম্যালেরিয়ার জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। বাকিরা ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে মন্ত্রী হাসপাতালের কর্তাদের কাছে জ্বর সংক্রান্ত রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরে পাঠান হয়েছে কি না তা জানতে চান। তখনই তিনি জানতে পারেন চিকিৎসাধীনদের ব্যাপারে কোনও রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানো হয়নি। তার পরেই তিনি স্বাস্থ্য দফতরে রিপোর্ট পাঠানোর জন্য হাসপাতাল সুপারকে নির্দেশ দেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও নজর রাখার নির্দেশ দেন ।

রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন, “জ্বরে আক্রান্ত ২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন খবর পেয়ে খোঁজখবর নিতে এসেছি। তাঁদের মধ্যে একজনের দেহে ম্যালেরিয়ার জীবাণু মিলেছে। জ্বরে আক্রান্তদের ব্যাপারে স্বাস্থ্য দফতরে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনে স্বাস্থ্য দফতর টিম পাঠাতে পারবে।”

এ দিন দুপুরে প্রায় এক ঘণ্টা কোচবিহার জেলা হাসপাতাল ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। রোগীর আত্মীয়দের কাছে বিক্ষিপ্ত কিছু অংশের সাফাই নিয়ে অভিযোগ শোনেন। একটি বিভাগে এক শয্যায় একাধিক রোগীদের রাখা হয়েছে দেখে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী বাড়তি শয্যার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy