বছরের প্রথম থেকেই বাস্তুর সুস্থতার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বাড়িতে শুভ শক্তির সঞ্চার থাকলে জীবনে উন্নতি করতে সুবিধা হয়। কিন্তু সেটি না থাকলে নানা ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। নেগেটিভ শক্তির প্রভাবে আমাদের মানসিক অস্থিরতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনই নানা দিক দিয়ে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হই। নতুন বছরের সকল মনোস্কামনা পূরণের জন্য তাই বাস্তুর দিকে বছরের প্রথম থেকেই নজর দেওয়া জরুরি। এর ফলে দেবী লক্ষ্মীর কৃপা লাভ করা যাবে। জীবনে সুপরিবর্তন আসবে। কী কী বদল আনতে হবে জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
টোটকা:
- বাড়িতে জমিয়ে রাখা সকল অপ্রয়োজনীয় জিনিস দূর করুন। ভাঙাচোরা, অকেজো জিনিস বাড়িতে জমিয়ে রাখা যাবে না। এতে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়বে। এরই সঙ্গে বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যে সব জিনিস আর কাজে লাগে না সেগুলিকে যেমন বাড়ি থেকে দূর করতে হবে, তেমনই ঘরের প্রতিটি কোনা এবং অন্যান্য জায়গায় ধুলো জমতে দেওয়া যাবে। ঘর ভাল করে গুছিয়ে রাখতে হবে।
- বাড়ির যে সব জিনিসে ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হয়, সেগুলিকে তৎক্ষণাৎ ঠিক করান। শৌচাগারের জলের কল থেকে জানলা, দরজা বা অন্যান্য জিনিস, বিকট শব্দ করছে এমন কোনও কিছুই বাড়িতে জমিয়ে রাখা উচিত হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
- ঘরে গাছ রাখুন। তবে সেগুলিতে শুকনো পাতা বা মরে যাওয়া ফুল জমতে দেওয়া যাবে না। গাছগুলির পাতা যেন সতেজ থাকে সে দিকে নজর রাখতে হবে। এতে বাড়িতে পজ়িটিভ শক্তির সঞ্চার বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে জ়েড, তুলসী প্রভৃতি শুভ গাছ রাখলে খুব ভাল ফল পাবেন।
- গাছ ছাড়াও বাড়িতে টুংটাং শব্দ করা উইন্ড চাইম রাখতে পারেন। এই শব্দ বাড়িতে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটাতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। বাস্তুর সুস্থতা বজার রাখতে কার্যকরী উইন্ড চাইম। ধাতুর তৈরি উইন্ড চাইম হলে সেটিকে বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে ও কাঠের তৈরি উইন্ড চাইম হলে তা বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাখতে পারেন।
আরও পড়ুন:
- বাড়ির সদর দরজাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন। সেটির সামনের জায়গা তো সর্বদা পরিষ্কার রাখতেই হবে। এরই সঙ্গে সেখানে আলপনা আঁকতে পারেন। সদর দরজার উপরে ফুলের মালা বা তোরণও ঝোলাতে পারেন। দরজার গায়ে কোনও শুভ জিনিস লাগানোও যেতে পারে। এতে বাড়িতে পজ়িটিভ শক্তির পরিমাণ বাড়বে। মা লক্ষ্মীও তুষ্ট হবেন।