E-Paper

সব প্রার্থীর কাছেইপরিবেশ রক্ষার দাবি

পরিবেশ রক্ষার দাবি জোরদার করতে তাই বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ডেকে সেই দাবি সনদ তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১২
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভোটের সময় শিলিগুড়ির পরিবেশ রক্ষার দাবি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন পরিবেশপ্রেমীরা। বিভিন্ন সংগঠনগুলিকে নিয়ে তৈরি সবুজ মঞ্চ এবং হিমালয়ান নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন (ন্যাফ) রবিবার ওই আবেদন করে। হিলকার্ট রোডে ন্যাফের কার্যালয়ে সংগঠনগুলির তরফে সদস্যরা জানান, নির্বাচনের সময়, পরিবেশ রক্ষার দাবি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের প্রার্থীরা খুব কম সময়ই বলে থাকেন। পরিবেশ রক্ষার দাবি জোরদার করতে তাই বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ডেকে সেই দাবি সনদ তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।

সবুজ মঞ্চ এবং ন্যাফের তরফে অনিমেষ বসু বলেন, ‘‘আমাদের তরফে প্রার্থীদের কাছে দাবি, তাঁরা ভোটের প্রচারে শিলিগুড়ি তথা রাজ্যের পরিবেশ বাঁচানোর কথা বলুন। সেই সঙ্গে ভোটে জিতলে পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেষ্ট হোন।’’ শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, ফাঁসিদেওয়া বিধানসভার বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের অফিসে আমন্ত্রণ করে তাঁদের দাবি সনদ তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

সদস্যদের দাবি, পরিবেশ আদালত এবং রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশে ২০১৫ সাল থেকে শিলিগুড়ি শহর এবং মহকুমায় সমস্ত ধরনের প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ এখনও সর্বত্রই রমরম করে তা চলছে। আইন কঠোর ভাবে প্রয়োগ করে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ এবং থার্মোকলের ব্যবহার বন্ধ করা হোক। অন্য দিকে, মহানন্দা-সহ শহরের বিভিন্ন নদীগুলি দূষণের গ্রাসে। মহানন্দার চর থেকে খাটাল উচ্ছেদ করা যায়নি। নোংরা অবর্জনা থেকে মৃতপ্রাণী ফেলে দেওয়া হয় নদীর জলে। বালি মাফিয়ারা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি, পাথর তোলার ফলে নদী স্রোত হারাতে বসেছে। নদী দূষণ রোধে পদক্ষেপ নেওযার দাবি তোলা হয়েছে। শিলিগুড়ি শহর এবং মহকুমায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয় বিজ্ঞান সম্মত ভাবে তা নষ্ট করার প্রক্রিয়া যথাযথ ভাবে চালু হয়নি। তেমনই বায়ূ দূষণ, শব্দ দূষণও ক্রমে বাড়ছে শিলিগুড়ি মহকুমায়। ভূগর্ভস্থ জল সংরক্ষণের প্রয়োজন থাকলেও সেই কাজ হচ্ছে না।

সবুজ মঞ্চ এবং ন্যাফের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে, ভোটের প্রচারেও প্রার্থীরা যাতে প্লাস্টিকের উপকরণের ব্যবহার এড়িয়ে চলেন, গাছের গায়ে পেরেক দিয়ে হোর্ডিং, ব্যানার না-লাগান।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Environment

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy