Advertisement
E-Paper

কানাইয়া ‘মাহাত্ম্য’ প্রচারে কীর্তনের আসর বসল সোহারই গ্রামে

ভক্তদের কেউ কেউ সেইসব শুনে মুচকি হাসছেন। কেউ আবার আলোচনায় কান পেতে বুঝে নিচ্ছেন, ব্যাপারখানা কী!

সৌমিত্র কুণ্ডু 

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০১৯ ০২:৩০
ভোজ: কীর্তনের আসরেই খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। —নিজস্ব চিত্র।

ভোজ: কীর্তনের আসরেই খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। —নিজস্ব চিত্র।

যিনি কৃষ্ণ, তিনিই তো কানহাইয়া বা কানাইয়া! তাহলে আর অসুবিধা কী! গ্রামে বসেছে কীর্তনের আসর। সেখানে কৃষ্ণভজনার পাশাপাশি বৈষ্ণব পদাবলি টেনে চলছে এই আলোচনাও! ভক্তদের কেউ কেউ সেইসব শুনে মুচকি হাসছেন। কেউ আবার আলোচনায় কান পেতে বুঝে নিচ্ছেন, ব্যাপারখানা কী!

কীর্তনের আসরে গানের পাশাপাশি দলীয় প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়ালের হয়ে প্রচার করছেন তৃণমূল নেতারা। রায়গঞ্জের দক্ষিণ সোহারই গ্রামে ওই কীর্তনের আয়োজন করেছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শম্পা বিশ্বাস, তাঁর স্বামী সুব্রত বিশ্বাস এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। তাঁরা জানালেন, দলের তরফে, কিছুটা নিজেদের উদ্যোগে এবং বাকিটা চাঁদা তুলে তিনদিনের কীর্তনের আসর বসিয়েছেন তাঁরা। সোমবার থেকে গ্রামের হাজারেরও বেশি লোকজনকে খাওয়ানো হচ্ছে। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই রান্নাবান্না বন্ধ। কীর্তনের আসরেই খাওয়াদাওয়া চলছে। পাশাপাশি, কীর্তন শুনতে যাঁরা আসছেন তাঁদের কানাইয়ালালকে ভোট দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। তবে কৃষ্ণের সঙ্গে এহেন ‘কানাইয়া-কীর্তনে’র কথা শুনে গোঁসা করছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন তাঁদের একাংশ।

অবশ্য এসবে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। সুব্রতের কথায়, ‘‘দলের লোকজন মিলেই কীর্তনের আয়োজন করেছি। কীর্তনের আসরে আমরা ভোটের প্রচারও করছি।’’ তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মী বিষ্ণু বিশ্বাস, গৌতম পাল, বিশাল রায়, প্রদীপ বর্মণেরা আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। রায়গঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে কীর্তনের দলকে এনে আসর বসানো হয়েছে। দলমতনির্বিশেষে মানুষ যাতে আসেন সেজন্য কীর্তনের মণ্ডপে কোনও দলীয় পতাকা লাগানো হয়নি ঠিকই। তবে নেতারা আসরে বসে ভক্তদের কীর্তনের সুরে মাতিয়ে প্রার্থী-প্রচারও সেরে নিচ্ছেন কৌশলে।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্যতম সাধারণ সম্পাদক পবিত্র চন্দ বলেন, ‘‘তৃণমূলের কাজকর্ম নিয়ে বলার কিছু নেই। অনৈতিক কাজকর্ম তারাই করে থাকে। মানুষ সবই দেখছে।’’ বিষয়টি নির্বাচনী বিধিভঙ্গের আওতায় পড়ে বলে দাবি সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পালের। তিনি বলেন, ‘‘খাবার দিয়ে ভোট চাওয়া বিধিভঙ্গের মধ্যেই পড়ে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানাব।’’ একই সুরে অভিযোগ তুলেছে বিজেপিও।

Kanhaiya Lal Agarwal TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy