স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে শহরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি দেখতে সমীক্ষা শুরু করবে শিলিগুড়ি পুরসভা। শনিবার দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকের পর তা জানিয়েছেন, সাফাই এবং পরিবেশ বিভাগের মেয়র পারিষদ মুকুল সেনগুপ্ত। আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই কাজ শুরু করবেন। বাড়ি বাডি় গিয়ে জ্বরের রোগী রয়েছে কি না, ঘরে রাখা কৌট, বা বাথরুমে কোথাও জল জমে রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবেন। ডেঙ্গি প্রতিরোধে সচেতনতা প্রচারও করবেন তাঁরা। মুকুলবাবু বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য দফতর থেকে সমীক্ষার কাজ করতে বলা হয়েছে। সেই মতো পুরসভার তরফে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সমীক্ষা করে ডেঙ্গি পরিস্থিতি দেখা হবে। সমীক্ষার কাজ চলতে থাকলেও এক সপ্তাহের রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ পুরসভা সূত্রেই জানা গিয়েছে, ২৬০ জন স্বাস্থ্য কর্মী রয়েছেন পুরসভায়। ৪৭ টি ওয়ার্ডে তাঁরা বিভিন্ন ভাগে সমীক্ষা করবেন। সমস্ত ওয়ার্ডগুলিতে সমীক্ষা একয়োগেই শুরু করা হবে। মাশা মারতে বিভিন্ন এলাকায় স্প্রে করার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে এ দিন জানানো হয়।
শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার ফেস্টুন, পতাকা, ফ্লেক্স খুলে ফেলতে এ দিন অনুরোধ জানান মেয়র পারিষদ। তিনি জানান, ভোট পর্ব শেষ হয়েছে। তার পরেও শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার ফেস্টুন, পতাকা, ফ্লেক্স রয়েছে। দৃশ্য দূষণ রুখতে সে সব খুলে নিতে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকেই অনুরোধ করা হচ্ছে। শহরকে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ মুক্ত রাখতে ফের অভিযানে নামার কথাও জানান। তাঁর দাবি, ভোটের জন্য অভিযানে পুলিশের সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। সে কারণে অভিযান করা যায়নি। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, পুলিশ, প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে শীঘ্রই অভিযানে নামা হবে বলে জানান।
অন্য দিকে, পুরসভা সূত্রেই জানানো হয়েছে, চালক অসুস্থ থাকায় এবং গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ায় এক এবং পাঁচ নম্বর বরোতে সেচপুল পরিষেবা ব্যহত হয়ে পড়েছিল। তাতে দুটি বরোতে অন্তত ৫০ টি করে সাফাইয়ের কাজ পড়ে রয়েছে। ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ওই সমস্ত পড়ে থাকা সেচপুল পরিষেবার কাজ সেরে ফেলতে বলা হয়েছে। পুরসভার তরফেই জানানো হয়েছে, পাঁচ নম্বর বরোতে সেচপুলের গাড়ির চালক অসুস্থ ছিলেন এবং এক নম্বর বরোতে সেচপুলের গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছিল।