বিকশিত ভারত-রোজগার এবং আজীবিকা মিশন প্রকল্পের কাজের সূচনায় গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবহার উপযোগী সম্পদ তৈরিতে জোর দিচ্ছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। ওই প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের বছরে ১২৫ দিন কাজের সুযোগ মিলবে। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের উৎসব অডিটরিয়ামে প্রকল্পের জেলাস্তরের কাজের সূচনা হয়। ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কোচবিহারের জেলাশাসক জিতিন যাদব বলেন, “ওই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ১২৫ দিনের সুযোগ মিলবে। জেলায় এ মাসেই ভাল কাজ হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় সম্পদ তৈরি করাও লক্ষ্য। যা গ্রামের বাসিন্দারা ব্যবহার করবেন।”
এ দিনের অনুষ্ঠানে কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক সুকুমার রায়, কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়কের প্রতিনিধি, রথীন্দ্র বসুর প্রতিনিধি বিরাজ বসু-সহ প্রশাসনের কর্তারা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সুকুমার বলেন, “ওই প্রকল্পের সূচনা হল। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তাঘাট থেকে নানা অসম্পূর্ণ কাজ করা সম্ভব হবে। গ্রামীণ বাসিন্দারা আয়ের সুযোগ পাবেন।” বিধায়ক রথীন্দ্র বসুর প্রতিনিধি বিরাজ বসু বলেন, “গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেবে ওই প্রকল্প। আগে তৃণমূল একশো দিনের কাজে রাজ্যে ব্যাপক অনিয়ম করে। দুর্নীতি হয়। এ বার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ হবে। মানুষের সত্যিকারের উপকার হবে। আমাদের জেলার সর্বস্তরের আধিকারিকেরা সেরাটা দিয়ে ওই প্রকল্পের রূপায়ণ করবেন।”
প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, বর্ষার মরসুমে বাঁধ সংস্কার, সবুজায়ন থেকে রাস্তাঘাট সংস্কার, নিকাশি নালা তৈরির মতো নানা কাজের পরিকল্পনা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)