Advertisement
E-Paper

এক রাতে চুরি ওসি, বিডিও-র আবাসনে

এক রাতে গ্রিল ভেঙে চুরি হয়ে গেল বিডিও আবাসন এবং পাশে এক পুলিশ অফিসারের বাড়িতে। পাশাপাশি দুই সরকারি আধিকারিকের বাড়িতে এ ভাবে চুরির ঘটনায় ফালাকাটা জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০১:২৭

এক রাতে গ্রিল ভেঙে চুরি হয়ে গেল বিডিও আবাসন এবং পাশে এক পুলিশ অফিসারের বাড়িতে। পাশাপাশি দুই সরকারি আধিকারিকের বাড়িতে এ ভাবে চুরির ঘটনায় ফালাকাটা জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

শুক্রবার রাতে ফালাকাটার বিডিও অফিস পাড়ার ঘটনা। ফালাকাটার বিডিও আবাসন ও শীতলখুচি থানার ওসি-র বাড়ি পাশাপাশি। বিডিও স্মিতা সুব্বা আবাসনেই ছিলেন বলে জানিয়েছেন। তিনি সকালে চুরির ঘটনা টের পান বলে পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন। বিডিও আবাসনের বসার ঘরের জানালার গ্রিল ভেঙে দুষ্কৃতীরা ঢোকে।

শনিবার সকালে পুলিশ গিয়ে দেখেছে জানালার গ্রিল পুরো ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বসার ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি খুলে ল্যাপটপ, দু’টি ট্যাব, দু’টি মোবাইল, হীরে বসানো গয়না-সহ নগদ বেশ কিছু টাকা খোয়া গিয়েছে বলে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও বিডিও স্মিতা দেবী মোট কত টাকার সামগ্রী খোয়া গিয়েছে তার হিসেব জানাতে পারেননি। তবে অফিস লাগোয়া সরকারি আবাসনে এ ভাবে চুরি হতে পারে তা ভেবেই হতবাক স্মিতাদেবী। তিনি বলেন, ‘‘বাসিন্দাদের কাছে আর্জি জানাব, সকলে যেন সর্তক থাকেন।’’

Advertisement

বিডিওর বাড়ির কিছুটা দূরেই শীতলখুচি থানার ওসি বিশ্বাশ্রয় সরকারের বাড়ি। তিনি অবশ্য ওই রাতে বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর বাবা ও ভাই ছিলেন। বিশ্বাশ্রয়বাবুর বাবা তপন সরকার বলেন, “ঘুমিয়ে থাকাতে চুরির ঘটনা টের পাইনি। তবে রাত দুটোর পরে চুরি হয়ে থাকবে বলে মনে হয়।’’ বিশ্বাশ্রয়বাবু সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

খোদ সরকারি আধিকারিকদের বাড়িতে গ্রিল ভেঙে চুরির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। এলাকায় একাধিক সরকারি অফিস সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বাড়ি রয়েছে। এমন একটি এলাকায় চুরির ঘটনা পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রমাণ বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। পুলিশের কয়েকজন অফিসার দাবি করেছেন, যে ভাবে চুরি হয়েছে, তা একাধিক দুষ্কৃতী ছাড়া সম্ভব নয়।

আলিপুরদুয়ারের এসডিপিও পার্থসারথী মজুমদার দাবি করেছেন, ‘‘টহল বাড়ানো হয়েছে।’ সম্প্রতি শহরের বিদ্যাসাগরপল্লি এবং যাদবপল্লিতেও চুরির অভিযোগ ওঠে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও ঘটনার কিনারা করতে না পারায় আতঙ্কের সঙ্গে ক্ষোভও বেড়েছে। ফালাকাটা থানার আইসি বিনোদ গজমির অবশ্য দাবি করেছেন, ‘‘আশা করছি, দ্রুত কিনারা হবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy