শ্মশান সিঙ্গুর
পনেরো বছর পেরিয়ে এ বার ‘সই মেলা ২০১৬’। উর্দু সাহিত্যিক ইসমত চুঘতাইয়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এই উৎসব শিশির মঞ্চে ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি (দুপুর ৩টে থেকে)। চুঘতাইয়ের জীবন এবং তাঁর লেখা গল্প, নাটক, চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের ভাবানুষঙ্গে তাঁকে আরও একটু ঘনিষ্ঠ ভাবে চিনবার, জানবার চেষ্টা হবে। পাশাপাশি হয়ে গেল অন্য ধরনের আর্টস ফেস্টিভাল ‘আরএনবি দ্য ই-প্রোজেক্ট’। ছিল পারফর্মিং আর্টস, ফটোগ্রাফি, সিনেমা, ভিডিয়ো এবং লাইভ চ্যাট শো। সম্প্রতি ম্যাক্সমুলার ভবনে এই উৎসবে দেখানো হল কিছু অসমসাহসী মেয়েদের ভিডিয়ো-সাক্ষাৎকার। ছিল একক উপস্থাপনাও। অনুষ্ঠানটির মূল ভাবনায় বাচিকশিল্পী ও অভিনেতা সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। পনেরো বছর পেরিয়ে এ বার ‘সই মেলা ২০১৬’। উর্দু সাহিত্যিক ইসমত চুঘতাইয়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এই উৎসব শিশির মঞ্চে ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি (দুপুর ৩টে থেকে)। চুঘতাইয়ের জীবন এবং তাঁর লেখা গল্প, নাটক, চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের ভাবানুষঙ্গে তাঁকে আরও একটু ঘনিষ্ঠ ভাবে চিনবার, জানবার চেষ্টা হবে। পাশাপাশি হয়ে গেল অন্য ধরনের আর্টস ফেস্টিভাল ‘আরএনবি দ্য ই-প্রোজেক্ট’। ছিল পারফর্মিং আর্টস, ফটোগ্রাফি, সিনেমা, ভিডিয়ো এবং লাইভ চ্যাট শো। সম্প্রতি ম্যাক্সমুলার ভবনে এই উৎসবে দেখানো হল কিছু অসমসাহসী মেয়েদের ভিডিয়ো-সাক্ষাৎকার। ছিল একক উপস্থাপনাও। অনুষ্ঠানটির মূল ভাবনায় বাচিকশিল্পী ও অভিনেতা সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।
শ্মশান সিঙ্গুর
পনেরো বছর পেরিয়ে এ বার ‘সই মেলা ২০১৬’। উর্দু সাহিত্যিক ইসমত চুঘতাইয়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এই উৎসব শিশির মঞ্চে ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি (দুপুর ৩টে থেকে)। চুঘতাইয়ের জীবন এবং তাঁর লেখা গল্প, নাটক, চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের ভাবানুষঙ্গে তাঁকে আরও একটু ঘনিষ্ঠ ভাবে চিনবার, জানবার চেষ্টা হবে। পাশাপাশি হয়ে গেল অন্য ধরনের আর্টস ফেস্টিভাল ‘আরএনবি দ্য ই-প্রোজেক্ট’। ছিল পারফর্মিং আর্টস, ফটোগ্রাফি, সিনেমা, ভিডিয়ো এবং লাইভ চ্যাট শো। সম্প্রতি ম্যাক্সমুলার ভবনে এই উৎসবে দেখানো হল কিছু অসমসাহসী মেয়েদের ভিডিয়ো-সাক্ষাৎকার। ছিল একক উপস্থাপনাও। অনুষ্ঠানটির মূল ভাবনায় বাচিকশিল্পী ও অভিনেতা সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।
শ্মশান সিঙ্গুর
তিনি মনে করেন, মিমিক্রি হল নিছকই একটা শিল্প, হিউমার তৈরির চেষ্টা। তিনি মীর আফসার আলি ওরফে মীর। উপস্থিতবুদ্ধি আর উইট মিলিয়ে তিনি যে হাস্যরস উৎপাদন করেন, তা স্বাদে স্বতন্ত্র। ১৯৯৪-এ রেডিয়ো জকির কাজ দিয়ে কর্মজীবন শুরু। এ নিয়ে তাঁর গল্পটিও চমকপ্রদ: ‘এক বৃষ্টি-বিধ্বস্ত বিকেলে ধোপার বাড়ি গিয়েছিলাম কাচা কাপড় আনতে। ‘ইকনমিক টাইমস’-এ মোড়া কাপড়চোপড় নিয়ে ফিরছি, দেখলাম দু’লাইনের একটি বিজ্ঞাপন— নতুন এফ এম স্টেশনের জন্য রেডিয়ো জকি চাই। অডিশনের শেষ দিন কালকেই।
পর দিন হাজিরা, একটা ছোট্ট বক্তৃতা, ব্যস।’ বাইশ বছরে পা দিল তাঁর কর্মজীবন। এখন তিনি অনুষ্ঠান সঞ্চালক, টেলিভিশন হোস্ট, অভিনেতা এবং ‘ব্যান্ডেজ’-এর প্রধান গায়কও বটে। সংবাদপাঠক হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে। তাঁর জীবন নিয়ে একটি বইও বেরল— মীর এই পর্যন্ত (শতরূপা বসুরায়, সৃষ্টিসুখ)। ৬৮ রফি আহমেদ কিদোয়াই রোডের বাড়ি থেকে ৩৩বি শরিফ লেন, আর তার মাঝে মাঝে মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জের সবুজে ঘেরা শান্ত নির্জন অখ্যাত গ্রামের খড়ের চালের মাটির দাওয়া— এতটা পথ একচল্লিশের মীর কী ভাবে পাড়ি জমালেন, উত্তর মিলবে বইটিতে। লেখক স্বচ্ছন্দে ঘোরাফেরা করেছেন মীরের ব্যক্তিগত জীবনে। যাঁরা এখনও জীবন ও সময়ের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে।
শ্মশান সিঙ্গুর
সাহিত্য থেকে নাট্য নির্মাণের চল বাংলা থিয়েটারে বহু দিনের। কিন্তু একই গল্পকারের গল্প নিয়ে পর পর তিনটি প্রযোজনা মঞ্চস্থ করার প্রয়াস বিরল বলাই ভাল। কর্ণধার মেঘনাদ ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় সায়ক নাট্যগোষ্ঠী এর আগেও অমর মিত্রর গল্প নিয়ে মঞ্চস্থ করেছিল ‘পিঙ্কি বুলি’ (নাটক: ইন্দ্রাশিস লাহিড়ী), ‘দামিনী হে’ (নাটক: চন্দন সেন)।
শ্মশান সিঙ্গুর
‘বিশ্বায়ন আজ আমাদের দ্রুতই এক সম-সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পাস্তা-পিৎজা খেতে ভালই লাগে, তবে দাদিমা-ঠাকুমাদের রান্না হারিয়ে গেলে, ক্ষতি কেবল বাঙালির রান্নাঘরের নয়, গোটা মানবজাতির রসনারই।’ বলছিলেন তানভীর মোকাম্মেল, তাঁর আসন্ন বক্তৃতা প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের এই চিন্তাবিদ ও চলচ্চিত্রকার ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা আকাদেমিতে সন্ধে সাড়ে ৬টায় দেবেন: ‘বাঙালির মেধা: জমা, খরচ ও ইজা’ (‘প্রাপ্তি’)।
শ্মশান সিঙ্গুর
সাহিত্য থেকে নাট্য নির্মাণের চল বাংলা থিয়েটারে বহু দিনের। কিন্তু একই গল্পকারের গল্প নিয়ে পর পর তিনটি প্রযোজনা মঞ্চস্থ করার প্রয়াস বিরল বলাই ভাল।কর্ণধার মেঘনাদ ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় সায়ক নাট্যগোষ্ঠী এর আগেও অমর মিত্রর গল্প নিয়ে মঞ্চস্থ করেছিল ‘পিঙ্কি বুলি’ (নাটক: ইন্দ্রাশিস লাহিড়ী), ‘দামিনী হে’ (নাটক: চন্দন সেন)। তাঁরাই এ বার গিরিশ মঞ্চে ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধে সাড়ে ৬টায় অমর মিত্রের কাহিনি ‘পাসিং শো’ (নাটক: উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়) মঞ্চস্থ করতে চলেছে।
শ্মশান সিঙ্গুর
‘বিশ্বায়ন আজ আমাদের দ্রুতই এক সম-সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
পাস্তা-পিৎজা খেতে ভালই লাগে, তবে দাদিমা-ঠাকুমাদের রান্না হারিয়ে গেলে, ক্ষতি কেবল বাঙালির রান্নাঘরের নয়, গোটা মানবজাতির রসনারই।’বলছিলেন তানভীর মোকাম্মেল, তাঁর আসন্ন বক্তৃতা প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের এই চিন্তাবিদ ও চলচ্চিত্রকার ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা আকাদেমিতে সন্ধে সাড়ে ৬টায় প্রণবেশ সেন স্মরণে।
স্বর্ণযুগের
রাধাকৃষ্ণন, রাজেন্দ্রপ্রসাদ, পণ্ডিত ওঙ্কারনাথ ঠাকুরকে তিনি গান শুনিয়ে মুগ্ধ করেন। মুগ্ধতা থেকেই অনুপম ঘটক গৌরীকেদার ভট্টাচার্যকে যোগাযোগ করিয়ে দেন হিন্দুস্থান রেকর্ডে। ১৯৩৭-এ তাঁর প্রথম রেকর্ড ‘সুরের ধারায় স্নান করাবো’।একই সঙ্গে তাঁর তিনটি নামে রেকর্ড বের হত।
‘গোলাম কাদের’ নামে ইসলামি গান, গজল, বাংলা কাওয়ালি, আর ‘সুকুমার ভট্টাচার্য’ নামে পল্লিগীতি এবং স্বনামে আধুনিক। ১৯৩৩-এ রেডিয়োতে গাইবার সুযোগ। জন্ম ১৯১৬-য় চট্টগ্রামের পরৈকোড়া গ্রামে। অপর্ণাচরণ ও বাসন্তীদেবীর জ্যেষ্ঠপুত্র গৌরীকেদার দশ বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন, তাঁর গান যখন সর্বত্র সমাদৃত, তখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দৌহিত্রীর একমাত্র কন্যা শেফালিদেবীর সঙ্গে বিবাহ। সেই বছরই, প্রণব রায়ের কথায় ও সুকৃতি সেনের সুরে তাঁর রেকর্ড ‘কতদিন, কতদিন তুমি কাছে নাই’ জনপ্রিয়তার শিখর স্পর্শ করে। ১৯৪৭-এ শিল্পী গাইলেন, ‘বল ভাই মাভৈ মাভৈ, নবযুগ ওই এল ওই’।
চমকপ্রদ চমকপ্রদ চমকপ্রদ
তিনি মনে করেন, মিমিক্রি হল নিছকই একটা শিল্প, হিউমার তৈরির চেষ্টা। তিনি মীর আফসার আলি ওরফে মীর। উপস্থিতবুদ্ধি আর উইট মিলিয়ে তিনি যে হাস্যরস উৎপাদন করেন, তা স্বাদে স্বতন্ত্র। ১৯৯৪-এ রেডিয়ো জকির কাজ দিয়ে কর্মজীবন শুরু। এ নিয়ে তাঁর গল্পটিও চমকপ্রদ: ‘এক বৃষ্টি-বিধ্বস্ত বিকেলে ধোপার বাড়ি গিয়েছিলাম কাচা কাপড় আনতে। ‘ইকনমিক টাইমস’-এ মোড়া কাপড়চোপড় নিয়ে ফিরছি, দেখলাম দু’লাইনের একটি বিজ্ঞাপন— নতুন এফ এম স্টেশনের জন্য রেডিয়ো জকি চাই। অডিশনের শেষ দিন কালকেই। পর দিন হাজিরা, একটা ছোট্ট বক্তৃতা, ব্যস।’ বাইশ বছরে পা দিল তাঁর কর্মজীবন।
এখন তিনি অনুষ্ঠান সঞ্চালক, টেলিভিশন হোস্ট, অভিনেতা এবং ‘ব্যান্ডেজ’-এর প্রধান গায়কও বটে। সংবাদপাঠক হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে। তাঁর জীবন নিয়ে একটি বইও বেরল— মীর এই পর্যন্ত (শতরূপা বসুরায়, সৃষ্টিসুখ)। ৬৮ রফি আহমেদ কিদোয়াই রোডের বাড়ি থেকে ৩৩বি শরিফ লেন, আর তার মাঝে মাঝে মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জের সবুজে ঘেরা শান্ত নির্জন অখ্যাত গ্রামের খড়ের চালের মাটির দাওয়া— এতটা পথ একচল্লিশের মীর কী ভাবে পাড়ি জমালেন, উত্তর মিলবে বইটিতে। লেখক স্বচ্ছন্দে ঘোরাফেরা করেছেন মীরের ব্যক্তিগত জীবনে। যাঁরা এখনও জীবন ও সময়ের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন, এ বই তাঁদের আলোর সন্ধান দেবে। নি অনুষ্ঠান সঞ্চালক, টেলিভিশন হোস্ট, অভিনেতা এবং ‘ব্যান্ডেজ’-এর প্রধান গায়কও বটে। সংবাদপাঠক হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে। তাঁর জীবন নিয়ে একটি বইও বেরল— মীর এই পর্যন্ত (শতরূপা বসুরায়, সৃষ্টিসুখ)। ৬৮ রফি আহমেদ কিদোয়াই রোডের বাড়ি থেকে ৩৩বি শরিফ লেন, আর তার মাঝে মাঝে মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জের সবুজে ঘেরা শান্ত নির্জন অখ্যাত গ্রামের খড়ের চালের মাটির দাওয়া— এতটা পথ একচল্লিশের মীর কী ভাবে পাড়ি।