Advertisement
E-Paper

একটি আসনে জয়ী বিরোধী জোট

উপনির্বাচনে কোচবিহার ২ ব্লকের বাণেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিডুবা এলাকার একটি আসনে বিরোধী জোট সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর কাছে হারলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। বুধবার ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্য মঞ্চ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। নির্দল প্রার্থী নৃপেন্দ্র দাস পেয়েছেন ৪০৪টি ভোট। তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ দাস পান ৪০২টি ভোট।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ০১:৪৩

উপনির্বাচনে কোচবিহার ২ ব্লকের বাণেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিডুবা এলাকার একটি আসনে বিরোধী জোট সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর কাছে হারলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। বুধবার ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্য মঞ্চ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। নির্দল প্রার্থী নৃপেন্দ্র দাস পেয়েছেন ৪০৪টি ভোট। তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ দাস পান ৪০২টি ভোট।

ফল প্রকাশের পর উচ্ছ্বাসে মাতেন বিরোধীরা। গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ঐক্য মঞ্চের আহ্বায়ক সিপিএমের বাণেশ্বর অঞ্চল সম্পাদক প্রতিমা সরকার বলেন, “এই জয় গণতন্ত্রের জয়।” কোচবিহারের জেলা কংগ্রেস সভাপতি শ্যামল চৌধুরী বলেন,“তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জনতা জিতেছে।” বিজেপির কোচবিহার জেলা সম্পাদক নিখিল রঞ্জন দে বলেন, “তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষ রায় দিয়েছেন।”

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাণেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১৬টি আসনের মধ্যে সিপিএম ৯টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি , তৃণমূল ২টি ও কংগ্রেস ৩টি আসন পায়। বামেরা বোর্ড গড়ে। কয়েকমাস আগে হাতিডুবা এলাকার নির্বাচিত সিপিএম সদস্য ইস্তফা দেওয়ায় আসনটিতে উপনির্বাচন হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূলের হুমকিতে ওই সদস্য ইস্তাফা দিতে বাধ্য হন। এবারেও যাতে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে না পারে তারজন্য হুমকির রাজনীতি শুরু হয়। পরিস্থিতির জেরে মঞ্চ গড়ে নির্দল প্রার্থী দেওয়া হয়। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অবশ্য বলেন, “সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। জেলার কোথাও সন্ত্রাসের বিন্দুমাত্র আবহ নেই। তা হলে নির্দল প্রার্থী জিতলেন কি করে? ওই ফলের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তবে এমন সরাসরি লড়াই না হলে আমাদের প্রার্থী জয়ী হতেন।”

Advertisement

বাণেশ্বরে হারলেও জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বাকি ৫টি আসনের উপনির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূল অবশ্য জয়ী হয়েছে। তারমধ্যে কোচবিহার ২ ব্লকের আমবাড়ি ও খোলটা মরিচবাড়ি এলাকার ১টি করে আসন রয়েছে। মাথাভাঙার বাকি ৩টি আসনেও তৃণমূল জয়ী হয়েছে। মাথাভাঙা ১ ব্লকের জোরপাটকি, কেদারহাট ও মাথাভাঙা ২ ব্লকের ফুলবাড়ির একটি করে আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। মাথাভাঙার তৃণমূল বিধায়ক বিনয়কৃষ্ণ বর্মন বলেন, “মহকুমার তিনটি আসনেই তৃণমূল প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থেই মানুষ রায় দিয়েছেন।” বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ, তৃণমূলের সন্ত্রাস না থাকলে অন্য ফল হত। বাণেশ্বরের পরাজয়ের পর জয়ী নির্দল সমর্থকদের হুমকি দেওয়া শুরু হয়েছে। কোচবিহারের পুলিশ সুপার রাজেশ যাদব বলেন, “ অভিযোগ এলে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, ১৪টি আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তৃণমূল বিনা লড়াই এ ৮টিতে আগেই জয়ী হওয়ায় ৬টি আসনে ভোট নেওয়া হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy