শুধু পদস্থ কর্তাদের রিপোর্ট নয়, দফতরের নীচুতলার কর্মী-আধিকারিকদের কাছ থেকেও এবার সরাসরি সমস্যার কথা জানার ব্যাপারে জোর দিচ্ছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন।
দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় বৈঠক করেছেন তিনি। আগামী মাসে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার বিট স্তর পর্যন্ত কর্মী,আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক ডাকার ব্যাপারেও দফতরের প্রধান মুখ্য বনপালকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শিলিগুড়ির কাছে সুকনায় ওই বৈঠক হতে পারে। বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন বলেন, “যেসব কর্মীরা সরাসরি ফিল্ড স্তরে কাজ করেন তাদের অনেকেই পদস্থ কর্তা কিংবা মন্ত্রীর কাছে কাজের সমস্যা বা তাঁদের কোনও পরামর্শ সরাসরি জানাতে পারেন না। অথচ দফতরের কাজের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি বিটস্তর পর্যন্ত আধিকারিক কিংবা কর্মী প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনায় জোর দিচ্ছি।”
বিনয়বাবু জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়ায় ওই বৈঠক করা হয়েছে। তাতে বেশ কিছু ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরামর্শ মিলেছে। এ বার উত্তরবঙ্গের কর্মীদের নিয়ে একই ভাবে বৈঠক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বন দফতর সূত্রেই জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের জঙ্গল পাহারা থেকে চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ সবকিছু নিয়েই সরাসরি কাজে যুক্ত আধিকারিক ও কর্মীদের মতামত জানতে চান বনমন্ত্রী। দায়িত্ব পালনে কী সমস্যা হচ্ছে, কী কী কাজ করা হলে ওই সমস্যার সমাধান হতে পারে, বনসৃজন বাড়াতে নতুন কী উদ্যোগ নেওয়া যায়, জঙ্গল লাগোয়া বনবস্তি এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নির্দিষ্ট কারও ভূমিকা নিয়ে কোনও বক্তব্য রয়েছে কিনা বৈঠকে সে সব জানতে চাইতে পারেন খোদ মন্ত্রী। দফতরের এক কর্তার কথায়, ‘‘দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিনয়বাবু নিজে খুঁটিনাটি তথ্য জেনে রাখতে বাড়তি তৎপর হয়েছেন। তাই নীচুতলার কর্মী, আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তাঁদের উৎসাহ বাড়ানোর পাশাপাশি পরামর্শ নিয়ে পরিকল্পনা নিতে চাইছেন।