Advertisement
E-Paper

চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন অধীর

প্রায় অচল হয়ে পড়া বাগানের অসুস্থ এক মহিলার দুরবস্থার কথা জেনে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী ও অমিতাভ চক্রবর্তী। বুধবার সকালে নাগেশ্বরী চা বাগানের ঘটনা। চল্লিশোর্ধ্ব ওই মহিলার নাম ঊর্মিলা মহালি। তিনি রোগে ভুগে চলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০১৫ ০২:৩৮
অসুস্থ ঊর্মিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র।

অসুস্থ ঊর্মিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র।

প্রায় অচল হয়ে পড়া বাগানের অসুস্থ এক মহিলার দুরবস্থার কথা জেনে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী ও অমিতাভ চক্রবর্তী। বুধবার সকালে নাগেশ্বরী চা বাগানের ঘটনা। চল্লিশোর্ধ্ব ওই মহিলার নাম ঊর্মিলা মহালি। তিনি রোগে ভুগে চলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। স্থায়ী চা শ্রমিক হিসেবে পরিবারের একমাত্র সদস্যও তিনিই। তাই কাজ না থাকায় চিকিৎসা তো দূরের কথা খাবার কিনে আনার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। এক প্রকার নিরুপায় হয়ে বাড়িতেই শুয়েই তাই মৃত্যুর অপেক্ষা করছিলেন ঊর্মিলা। সে খবর পান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সফরসঙ্গী অমিতাভবাবু। দু’জনে আলোচনার পরে এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক জোশেফ মুন্ডার মাধ্যমে ওই মহিলাকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে চালসার মঙ্গলবাড়ি ব্লক স্বাস্থ কেন্দ্রে ভর্তি করান তাঁরা।

এই ঘটনার পরে ঊর্মিলার স্বামী আনন্দ কিছুটা স্বস্তিতে। তিনি বলেন, ‘‘স্ত্রীর উঠে দাঁড়ানোর শক্তিটুকু নেই। আমরা যে ওকে গাড়ি ভাড়া করে হাসপাতালে নিয়ে যাব সেই সামর্থ্যও নেই। তাই উপায়ন্তর না দেখে বাড়িতেই রেখেদিয়েছিলাম ওকে। নেতারা সাহায্য না করলে কী যে হতো।’’ বাগানের বাসিন্দা হরিশ হাজরা জানান, উর্মিলাকে আরও অনেক আগেই হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু কেন রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছে না সেই প্রশ্ন তুলেছেন জোশেফ মুন্ডা। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘বাগানে তো স্বাস্থ্যদফতরের কর্মীরা ঘুরছেন বলে প্রশাসন দাবি করছে। স্বাস্থ্য দফতরের মোবাইল ইউনিটও সক্রিয়। তার পরেও এ ভাবে রোগীরা ধুঁকছেন কেন!’’

মেটেলি ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের তরফে দাবি করা হয়েছে যে গত সপ্তাহেও ঊর্মিলা মাহালির বাড়িতে স্বাস্থ্যকর্মীরা গিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু ওঁরা সে কথা শোনেননি বলে দাবি স্বাস্থ্য দফতরের। জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক প্রকাশ মৃধা বলেন, ‘‘বাগানের প্রতিটি বাড়িতে বিডিও এবং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। ফোনে অসুস্থতার কথা জানালেই অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছে যাবে। বিধায়কের উদ্যোগকেও আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ঊর্মিলাদেবীর চিকিৎসাও শুরু হয়ে গিয়েছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy