Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

মানুষের প্রতি ভরসা হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের হরিণচওড়া ও দিনহাটার বড় আটিয়াবাড়িতে দুই জনসভায় তিনি বলেন, “পুলিশ সুপারদের বদলি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনকে দেখে নেওয়ার কথা বলছেন। মানুষের বদলে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশে ভরসা করছেন। মা মাটি মানুষের সরকার মানুষের আস্থা হারিয়েছে।”

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০১৪ ০২:১৪

মানুষের আস্থা হারাচ্ছে সরকার, দাবি অধীরের
নিজস্ব সংবাদদাতা • কোচবিহার

মানুষের প্রতি ভরসা হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের হরিণচওড়া ও দিনহাটার বড় আটিয়াবাড়িতে দুই জনসভায় তিনি বলেন, “পুলিশ সুপারদের বদলি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনকে দেখে নেওয়ার কথা বলছেন। মানুষের বদলে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশে ভরসা করছেন। মা মাটি মানুষের সরকার মানুষের আস্থা হারিয়েছে।” পুলিশ সুপারদের বদলির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীর ওই বিরোধিতার পেছনে পুলিশি সন্ত্রাসের পরিকল্পনার অভিযোগ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “কয়েক জন এসপিকে বদলি করাতে দিদির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। উনি কি ভেবেছিলেন? ভোটের দিন এসপিদের দিয়ে সন্ত্রাস করাবেন? পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় তিনি হতাশ।” মুর্শিদাবাদে খুনের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে রুজু অভিযোগ নিয়েও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অধীরবাবু। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “চোরাকারবারির মারামারিতে এক জন খুন হয়েছেন। আমি জেলার বাইরে প্রচারে রয়েছি। তার পরেও ওই ঘটনায় আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কংগ্রেসের উত্থানে আতঙ্কিত হয়ে দিদি পুলিশকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন।” তিনি জানান, আগেও এমন মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মালদহের মানিকচকে ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশন নিয়ে উস্কানি মূলক বক্তব্য রেখেছেন। তার পরিণতি মানিকচকের ঘটনা।” তিনি বলেন, “রাজ্য দুর্নীতিতে ডুবে আছে। চিটফান্ডে সর্বস্বান্তের জন্য মুখ্যমন্ত্রী কিছু করছেন না। সারদা কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করছেন। চাকরির নামে বেকারের সঙ্গে তঞ্চকতা করা হচ্ছে।” বামেদের ৩৪ বছরের শাসনের ব্যর্থতায় অন্য রাজ্যের চেয়ে উন্নয়নে এ রাজ্য পিছিয়ে বলে তাঁর অভিযোগ। বিজেপিরও সমালোচনা করেন অধীর। সভায় জেলা কংগ্রেস সভাপতি শ্যামল চৌধুরী, প্রার্থী কেশব রায় ছিলেন।

তেজ বাড়ছে প্রচারে
নিজস্ব সংবাদদাতা • জলপাইগুড়ি

েভাট তরজায় জমজমাট গ্রামীণ হাট, বনবস্তি। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে বেড়ালেন প্রার্থীদের অনেকেই। শহরে উত্তাপ বাড়ল বিভিন্ন দলের জনসভা, পদযাত্রা ও মিছিলে। অনেক আবেদনের পরেও রাস্তা তৈরি না হওয়ায় ভোট না দেওয়ার হুমকিও ভেসে আসে ময়নাগুড়ির চাপগড়ের মতো গ্রাম থেকে। এ দিন জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে পদযাত্রা করেন প্রদেশ তৃণমূল সম্পাদক কল্যাণ চক্রবর্তী। ঘাস ফুলের প্রচার শেষ না হতে রাস্তায় নামেন বামফ্রন্ট সমর্থকরা। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচারের কাজ সারেন। বেলা বাড়তে প্রচারের তেজ বাড়ে। ধূপগুড়ির নাথুয়ায় সভা করেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই সময় রাজগঞ্জ হাটে ঘুরে প্রচার করেন তৃণমূল প্রার্থী সত্যলাল সরকার। ময়নাগুড়ির রাজার হাটেও প্রচার করেন তৃণমূল ও বামফ্রন্ট কর্মীরা। বেহাল রাস্তার জন্য ভোট বয়কটের হুমকি দেন চাপগড় এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, কয়েক বার জানানোর পরেও রাস্তা মেরামতের কেউ উদ্যোগী হননি। তাই ভোট না দেওয়ার হুমকি দিয়ে এ দিন তাঁরা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজও শুরু করেন। এ দিন বিকেলে গরুমারা জঙ্গল সংলগ্ন ঝার মাটিয়ালি গ্রামে যান কংগ্রেস প্রার্থী সুখবিলাস বর্মা। সেখান থেকে ফিরে তিনি ক্রান্তি, বারোঘরিয়া গ্রামে সভা করেন। এ দিন বিকেলে চামূর্চিতে শতাধিক মোর্চা সমর্থকের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা তৃণমূল পর্যবেক্ষক সৌরভ চক্রবর্তী।

কংগ্রেসের সভায় মমতাকে কটাক্ষ
নিজস্ব সংবাদদাতা • শামুকতলা

শামুকতলায় সাকিল আহমেদ। বৃহস্পতিবার রাজু সাহার তোলা ছবি।

কংগ্রেসের সাহায্য নিয়ে রাজ্য থেকে সিপিএমেকে উৎখাত করে মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের দেওয়া হেলিকপ্টারে ঘুরে রাজ্য জুড়ে প্রচার করে ক্ষমতায় এসেছেন। তার পরেই কংগ্রেসকে ধোঁকা দিয়েছেন মমতা। লোকসভায় আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের প্রার্থী জোসেফ মুন্ডার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এ ভাবে নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন কংগ্রেসের সর্বভাতীয় নেতা দলের পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক সাকিল আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিকালে আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকের পলাশতলি বাজারে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় সাকিল আহমেদ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য, আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক দেবপ্রসাদ রায়, প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক বিশ্বরঞ্জন সরকার। সাকিল আহমেদ বলেন, “রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালচ্ছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেসের সমর্থনে রাজ্যে ক্ষমতায় এসে উনি কংগ্রেসকে ধোঁকা দিয়েছেন।” এদিন বক্তরা কৃষি ঋণ মুকুব, ১০০ দিনের রাজের খতিয়ান, খাদ্য সুরক্ষা বিলের কথা ভাষণে কংগ্রেস নেতারা তুলে ধরেন।

গাড়িতে হামলা মোর্চার, নালিশ
নিজস্ব সংবাদদাতা • দার্জিলিং

দার্জিলিঙের একটি সভা সেরে ফেরার পথে জিএনএলএফের চারটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতি বার এই ঘটনায় মোর্চা সভাপতি তথা জিটিএ-এর চিফ বিমল গুরুঙ্গ সহ একাধিক মোর্চা নেতার নামে নালিশ দায়ের হয়েছে। যদিও মোর্চার দাবি, অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ দিন দার্জিলিঙে জিএনএলএফের নির্বাচনী সভা থেকে ফেরার সময় জোড়বাংলো এলাকায় দু’দফায় মোর্চা সমর্থক হামলা করে বলে অভিযোগ। এ দিন বিকেল সাড়ে চারটের সময় জোড়বাংলো এলাকা দিয়ে যখন তাঁরা সমর্থকরা ফিরছিলেন, সে সময়ে সেই রাস্তা দিয়েই বিমল গুরুঙ্গ সহ মোর্চা সমর্থকরাও শিলিগুড়ি থেকে ফিরছিলেন বলে জানা যায়। তখন গুরুঙ্গের নির্দেশে হামলা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সুপার অখিলেশ চর্তুবেদী বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি।” জিএনএলএফ সুখিয়াপোখরি শাখার আহ্বায়ক ফুরতেম্বা ভুটিয়া অভিযোগ বলেন, “জোড়বাংলোয় দু’বার দলের কর্মী সমর্থকদের উপর বিমল গুরুঙ্গের নির্দেশে হামলা হয়। সমর্থকদের ৪টি গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে আন্দোলন হবে।” এ দিন বিকেলে জোড়বাংলো থানার সামনে বিক্ষোভ জানান জিএনএলএফ কর্মীরা। অন্য দিকে, মোর্চার সহ সম্পাদক বিনয় তামাঙ্গ দাবি করে বলেন, “যে সময়ে হামলার কথা বলা হচ্ছে সে সময় বিমল গুরুঙ্গ বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। রাজনৈতিক অস্তিত্বরক্ষার জন্য মিথ্যে অভিযোগ করছে জিএনএলএফ।”

প্রতিটি বুথেই সহায়তাকেন্দ্র
নিজস্ব সংবাদদাতা • বালুরঘাট

ভোট দিতে যাচ্ছেন বুথে। ঢোকার আগে রাস্তার দুপাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোকজন টেবিল-চেয়ার নিয়ে কেউবা মাটিতে শতরঞ্চি পেয়ে ভোটার তালিকা নিয়ে বসে আছেন। বাসিন্দাদের নাম, নম্বর তালিকায় দেখে অনেক সময় স্লিপও দিচ্ছেন। দীর্ঘদিনের এই পরিচিত ছবি অনেকেরই দেখা। একইভাবে এবার নির্বাচন কমিশন দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র চালু করতে চলেছে। বুথ চত্বরে ওই সরকারী সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোটারদের ক্রমিক ও অংশ নম্বরের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। জেলার সহকারী নির্বাচনী আধিকারিক সন্দীপ দত্ত জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এবারে প্রতিটি বুথ চত্বরে আলাদা একটি করে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। ওই কেন্দ্রে থাকবেন দুজন সরকারী কর্মী। তারাই ভোটারদের সহায়তা করবেন। ওই সহায়তা কেন্দ্রে ভোটার রোল থেকে পার্ট নম্বর, সিরিয়াল নম্বর দেখে কোন বুথের ভোটার তা বলে দেওয়া হবে। বালুরঘাট লোকসভা আসনে কেন্দ্রের ১০৯৮টি বুথে সহায়তা কেন্দ্র হবে।

ত্রুটি মানলেন সূর্যকান্ত মিশ্র
নিজস্ব সংবাদদাতা • চাঁচল

৩৪ বছর রাজ্য চালিয়ে সর্বস্তরের মানুষের মন তাঁরা জয় করতে পারেননি বলে আক্ষেপ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। সেই ত্রুটি যে তাঁদের তাও মানেন তিনি। বৃহস্পতিবার উত্তর মালদহের দলীয় প্রার্থী খগেন মুর্মুর সমর্থনে চাঁচল কলমবাগানে সভা হয়। তিনি বলেন, “দিল্লি অনেক দূর। একটা নির্বাচন দিয়ে সব শেষ করা যায় না। জনসভার ভিড় দেখে নেতা-কর্মীদের যেন অহংকার না হয়। কেননা এখানে সবাই আসেননি। এতে ত্রুটি আমাদের। আমরা এখনও তাদের মন জয় করতে পারলাম না।” কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যাঁরা তৃণমূল, কংগ্রেস, বিজেপি করেন তাদের কাছে যেতে হবে। তাদেরকেও সঙ্গে পেতে হবে। নয়তো লড়াই সফল হবে না।” সভায় হাজির ছিলেন দুই বাম নেতা শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়, হাফিজ আলম সাইরানি। প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুরে জনসভা হয়। তার পর চাঁচলে এসে সূর্যকান্ত বলেন, “এটাই উত্তরবঙ্গে আমার শেষ সভা। এখানে তৃণমূল একটিও আসন পাবে না। মাথায় যেমন ২-৩টি চুল থাকলে তা কামানো উচিত তেমনই কংগ্রেসকেও ছেঁটে ফেলা দরকার।”

প্রচারে ভুল স্বীকার সেলিমের
নিজস্ব সংবাদদাতা • ইসলামপুর

‘মানুষকে এড়ানোর প্রবণতা আমাদের পরাজয়ের কারণ’। বুধবার বাসিন্দাদের সঙ্গে একটি মুখোমুখি অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন রায়গঞ্জ কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। ইসলামপুরের টাউন লাইব্রেরি হলে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে থেকেই সেলিমকে নানা প্রশ্ন করা হয়। তার উত্তরও দেন প্রার্থী। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও ভোট প্রচারে রায়গঞ্জ লোকসভার প্রার্থীকে নিয়ে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল সিপিএম। উন্নয়ন থেকে নানা সমস্যা আলোচনায় উঠে আসে।

গোর্খারা বিশ্বস্ত, বললেন মোদী
নিজস্ব সংবাদদাতা • দার্জিলিং

গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষেরা ‘নিরাপত্তা রক্ষী’ হিসেবে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ও সম্মানের দাবিদার বলে মন্তব্য করেন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে ওই মন্তব্যের পরে কার্শিয়াঙে বেশ কিছু পোস্টার পড়েছে। ‘কার্শিয়াং জনতা’ নামে একটি সংগঠনের নামে লেখা পোস্টারে দাবি করা হয়েছে, নিরাপত্তা রক্ষী বলায় গোর্খাদের বাসিন্দাদের অপমান করা হয়। কার্শিয়াং স্টেশন, উদ্যান চত্বরে পোস্টারগুলি লাগানো হয়েছে। যদিও, মোর্চার সহ সম্পাদক বিনয় তামাঙ্গ বলেন, “গোর্খাদের অপমান করা হয়নি। নরেন্দ্র মোদী বলেন, গোর্খাদের কারণেই দেশবাসী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন। কঠোর পরিশ্রম ও সততার কারণেই এ বিশ্বাস এসেছে বলে মোদী বলেন। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর উচিত গোর্খাদের সম্মান দেখানো।” বিনয় তামাঙ্গের দাবি বিরোধীরাই চক্রান্ত করে ওই পোস্টার লাগিয়েছেন।

ইস্তাহার প্রকাশ
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

নিজের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করলেন দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের নির্দল প্রার্থী মহেন্দ্র পি লামা। প্রকাশ করেই তাঁর দাবি পাহাড়ে ৬০ শতাংশ ভোট নিশ্চিত। সমতলে ২০ শতাংশ। ফলে তাঁর জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গে বিজেপি কথা রাখেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিজেপি নির্বাচনী ইস্তেহারে ‘গোর্খাল্যান্ড’ কথা রাখলেই মহেন্দ্রবাবু তাঁর প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নিতেন বলে জানান তিনি। প্রাথমিক ভাবে বিজেপির সঙ্গে কথাও হয়েছিল বলে তিনি জানান। কিন্তু তা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি লড়বেন এবং জিতবেন বলে দাবি করেন। প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার যে গোর্খাল্যান্ড ইস্যু তাও ইস্তাহারে প্রকাশ করে তাঁর দল দার্জিলিং ডুয়ার্স ইউনাইটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। এ দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মুখ্য প্রবক্তা পি অর্জুনও।

জমেছে প্রচার

চাঁচল মহকুমায় প্রচার জমে উঠতে শুরু করেছে। সকাল থেকেই ডান-বাম দুপক্ষের প্রচারে জমে ওঠে এলাকা। এ দিনই প্রথম চাঁচল ও হরিশ্চন্দ্রপুরে দুটি জনসভা করে বামেরা। ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। এ দিন সকালে চাঁচলে রোডশো করেন বহিষ্কৃত বাম নেতা রেজ্জাক মোল্লা। হরিশ্চন্দ্রপুরে সাইকেল নিয়ে মিছিল করে প্রচার চালান সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী মিলন দাস। হুডখোলা গাড়িতে চেপে এ দিন সামসি এলাকায় প্রচার করেন তৃণমূল প্রার্থী সৌমিত্র রায়। কংগ্রেসের প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর বামনগোলা এলাকার নানা জায়গা ঘুরে ঘুরে এ দিন প্রচার করেন।

ভোট প্রতিবাদ

ভোট কর্মীদের পাওনা টাকা থেকে কম দেওয়ায় প্রতিবাদে টাকা নিলেন না হলদিবাড়ির নিযুক্ত প্রিসাইডিং অফিসারদের একাংশ। তাঁরা জানান, সব মিলিয়ে পাওয়ার কথা ২০৫০ টাকা। বৃহস্পতিবার কোচবিহারে টাকা নিতে গিয়ে দেখছি, আমাদের দেওয়া হচ্ছে ১৯০০ টাকা। আমরা বলেছি পুরো টাকা না দেওয়া হলে আমরা টাকা নেব না। জলপাইগুড়ি জেলায় কর্মীদের পুরো টাকাই দেওয়া হচ্ছে। এই দিন কোচবিহার জেলার নির্বাচনী আধিকারিক মোহন গাঁধী বলেছেন, “রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী টাকা দেওয়া হচ্ছে।”

ছবিসহ নালিশ

এমসিসি দলের ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজে পিস্তল-সহ যুবককে দেখতে পেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল জেলা প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় প্রচারে যান দার্জিলিং কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুরিন্দ্র সিংহ অহলুয়ালিয়ার। জেলাশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, কালো জামা-প্যান্ট পরা ওই যুবকের জুতোর মধ্যে এক পিস্তল দেখা যায়। ওই যুবক প্যান্ট তুলতেই তার পিস্তল ধরা পড়ে যায় ভিডিওতে। অভিযোগ দায়ের করে তার খোঁজ করা হচ্ছে।

দলবদল

আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের টটপাড়া ১ পঞ্চায়েতের দুই কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যরঞ্জন দাস ও আসরাফ হোসেন বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আলিপুর দুয়ার তৃণমূল ভবনে ওই দুই পঞ্চায়েত সদস্যের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা পর্যবেক্ষক সৌরভ চক্রবর্তী। এ দিন দলত্যাগীদের দাবি, কংগ্রেসে থেকে উন্নয়নের কাজ করতে না পারায় জন্যই দলত্যাগ। কংগ্রেস বিষয়টিকে স্বার্থসিদ্ধি বলে উল্লেখ করেছে।

ফব-র নালিশ

দিনহাটার বিভিন্ন এলাকাতেও বুথ লেবেল অফিসারদের বদলে তৃণমূল কর্মীরা ভোটার স্লিপ বিলি করছেন বলে অভিযোগ তুলল ফরওয়ার্ড ব্লক। দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষক ও জেলাশাসককে অভিযোগ জানান। উদয়নবাবু বলেন, ১৫৪ ও ২৪৭ নম্বর বুথে ওই প্রবণতা বেশি। সিতাইয়ের একাধিক বুথে এমন ঘটছে। সিতাই ও দিনহাটা নিয়ে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছে তৃণমূল।

মিঠুনের সভা

মিঠুন চক্রবর্তীর সভা ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে কুমারগ্রামে। লোকসভায় আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের প্রার্থী দশরথ তিরকে ও কুমারগ্রাম বিধানসভা উপ নির্বাচনের প্রার্থী জোয়াকিম বাক্সলার সমর্থনে কুমারগ্রামের খোয়ারডাঙ্গা হাইস্কুলের মাঠে আজ, শুক্রবার সভা করবেন মিঠুন। তিনি ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায় ওই সভায় থাকবেন।

প্রচারে মিঠুন

আজ শুক্রবার, নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে কোচবিহারে আসছেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায় ও অভিনেতা তথা রাজ্যসভা সাংসদ মিঠুন চক্রবর্তী। রাসমেলা ময়দানে প্রার্থী রেনুকা সিংহের সমর্থনে সভায় বক্তব্য রাখবেন ওই দুই নেতা-অভিনেতা।

সাইকেল নিয়ে প্রচারে সমাজবাদী পাটির প্রার্থী সুদীপরঞ্জন সেন। নিজস্ব চিত্র। নীচে বাঁ দিকে, মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতি উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির রসখোয়ায়। ছবি: তরুণ দেবনাথ। নীচে, জলপাইগুড়িতে প্রচারের ফাঁকে বিশ্রাম কংগ্রেসের প্রার্থী সুখবিলাস বর্মার। ছবি: সন্দীপ পাল।

লাটাগুড়ির গ্রামে ভোটের প্রচারে কংগ্রেসের প্রার্থী সুখবিলাস বর্মা। ছবি: দীপঙ্কর ঘটক।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy