Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

রায়গঞ্জে এইমসের ধাঁচে হাসপাতাল তৈরির জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় তৃণমূল ও বামফ্রন্টকে ক্ষমা না করার অনুরোধ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী দীপা দাশমুন্সির সমর্থনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়গঞ্জের বিধাননগর মাঠে জনসভায় যোগ দিয়ে ওই অনুরোধ করেন অধীর।

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৪ ০২:৩২

রায়গঞ্জে ভোটভিক্ষা
নিজস্ব সংবাদদাতা • রায়গঞ্জ

বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জে জনসভায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ছবি: তরুণ দেবনাথ।

রায়গঞ্জে এইমসের ধাঁচে হাসপাতাল তৈরির জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় তৃণমূল ও বামফ্রন্টকে ক্ষমা না করার অনুরোধ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী দীপা দাশমুন্সির সমর্থনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়গঞ্জের বিধাননগর মাঠে জনসভায় যোগ দিয়ে ওই অনুরোধ করেন অধীর। তিনি বলেন, “প্রাক্তন সাংসদ প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রধান স্বপ্ন ছিল এইমসের ধাঁচে হাসপাতাল তৈরি করা।” অধীরবাবুর অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত সরকার বামফ্রন্টের দেখানো পথ ধরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে ওই হাসপাতাল তৈরির জন্য রায়গঞ্জে জমি অধিগ্রহণ করেনি। তাই আপনারা তৃণমূল ও বামফ্রন্টকে ক্ষমা করবেন না। হাসপাতাল তৈরির স্বার্থে আপনারা দীপাদেবীকেই জয়ী করুন।” জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাজ্যের পরিষদীয় সচিব অমল আচার্য বলেন, “আমরা জোর করে কৃষিজমি নষ্ট করে হাসপাতাল তৈরির বিপক্ষে।” সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অপূর্ব পাল বলেন, “কংগ্রেস ও তৃণমূলের কাজিয়ায় উন্নয়ন থমকে। বিরোধীরা কী বললেন তাতে জেলার বাসিন্দাদের কিছু যায় আসে না।

অভিযুক্ত কংগ্রেস
নিজস্ব সংবাদদাতা • ইসলামপুর

ভোটারদের মধ্যে খাওয়ার স্লিপ বিলি করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইসলামপুর থানার ভদ্রকালি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকাটি দার্জিলিং লোকসভার চোপড়া বিধানসভার মধ্যে পড়ে। অভিযোগ, দুপুরে ভোটার স্লিপ বিলি করছেন কংগ্রেসের সদস্যেরা, এমন অভিযোগ পেয়ে এমসিসির দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় তাঁরা খাওয়ার স্লিপ উদ্ধার করেন। ভিডিও রেকর্ডিং ও করা হয়। খাওয়ার স্লিপের মধ্যে কংগ্রেসের প্রতীক চিহ্ন ছিল। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ইসলামপুরের বিডিও স্মিতা সুব্বা। তিনি বলেন, “খাওয়ার স্লিপ বিলির অভিযোগে এলাকার কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।” তবে কংগ্রেসের চোপড়া ব্লক সভাপতি অশোক রায় বলেন, “অভিযোগ ভিত্তিহীন। দলের কর্মী এবং পোলিং এজেন্টদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে ওই স্লিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর এলাকায় তো কোনও হোটেলই নেই। তাই পুরোপুরি একটা চক্রান্ত।”

বুথে ঘুরতে বাধা
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

শিলিগুড়িতে বুথে বুথে ঘুরতে গিয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের হাতে বাধা পেলেন দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুজয় ঘটক। শিলিগুড়ি পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে, শিলিগুড়ি বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠ স্কুলে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে লোকজন নিয়ে বিশৃঙ্খলা করছেন বলে অভিযোগ তোলে তৃণমূল। সুজয়বাবু ক্যম্পাসের ভিতরে থাকাকালীনই তৃণমূলের লোকজন তাঁর উপরে চড়াও হয়। তৃণমূল নেতা ধীমান বসু বলেন, “উনি প্রচুর লোকজন নিয়ে ভিতরে ঢুকে যাওয়ায় ভোট গ্রহণে সমস্যা হয়েছিল। আমরা বাধা দিয়েছি মাত্র।” এর ফলে তৃণমূল ও কংগ্রেসের সমর্থকদের মধ্যে বাদানুবাদ সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তা বেশিদূর গড়াতে পারেননি। সুজয়বাবু বা তৃণমূলের তরফে কেউই কোনও অভিযোগ জানাননি। সুজয়বাবু এই দিন বলেন, “সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। মিটে গিয়েছে।”

কড়া নজরদারি
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

চার দিকে ক্যামেরার কড়া নজর। ভোটাররাও যেন সতর্ক। চুপচাপ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় সবাই। পুলিশকর্মীরাও বন্দুক হাতে সতর্ক দৃষ্টিতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন। সব যেন ক্যামেরার সুফল। এই ক্যামেরা সংবাদমাধ্যমের কোনও ক্যামেরা নয়, খোদ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে এ বন্দোবস্ত ছিল, রাজ্যের প্রথম দফার চারটি লোকসভার বিভিন্ন বুথে। ইচ্ছা করলে যে কেউ ইন্টারনেটে সমস্ত বুথের সম্প্রচারও দেখতে পেরেছেন, কমিশনের ওয়েবসাইটের মারফত।

খুকরির ঘায়ে জখম মহিলা
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

ভাইয়ের খুকরির আঘাতে জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন এক মহিলা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন পূর্ব হাতিয়াডাঙ্গা এলাকায়। জখম মহিলার নাম টুম্পা মালাকার। তাঁকে মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর ভাইয়ের নাম বাবলা সরকার। ঘটনার পর থেকে বাবলাবাবু পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে, টুম্পাদেবী বিবাহিতা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বাপের বাড়িতে থাকতেন তিনি। পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, প্রায় প্রতিদিনই বিবাদ লেগে থাকত ওই বাড়িতে।

দেহ উদ্ধার
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলার বিকৃত মৃতদেহ উদ্ধার হল শিলিগুড়ি থেকে। বৃহস্পতিবার সকালে শিলিগুড়ি শহরে কামরাঙ্গাগুড়ি এলাকায় রেল লাইনের ধার থেকে ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে নিউ জলপাইগুড়ি ফাঁড়ির পুলিশ। মহিলার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। মুখ অ্যাসিড জাতীয় কিছু দিয়ে পুড়িয়ে বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁকে চেনা সম্ভব হচ্ছে না বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

ক্লিক করুন...

ভোটের দাবি
নিজস্ব সংবাদদাতা • কোচবিহার

হাতে কালি লাগানোর পরেও ভোট দিতে না পেরে সমস্যায় পড়েন এক ভোটার। কোচবিহারের বিবেকানন্দ হাইস্কুলে একটি বুথের ঘটনা। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই মহিলার নাম সুমিতা সরকার। শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ওই মহিলার হাতে কালি লাগানোর পরে ভোটার তালিকায় নাম কাটা রয়েছে বলে ভোট কর্মীরা জানান। তাঁর কাছে সচিত্র পরিচয় পত্র থেকে বুথ স্লিপ সবই ছিল। ভোট দেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকেন। কমিশনের আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে সুমিতা দেবী ভোট দেন।

তাণ্ডবের অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা • কোচবিহার

কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী হেমচন্দ্র বর্মনের পৈতৃক বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শীতলখুচির রথখোলায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির নালিশ, হেমেনবাবুর ভাই ও তাঁদের পরিবারের লোকেরা ওই বাড়িতে থাকেন। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালান। ভাই ও ভাইপোকে মারধর করা হয়। তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বৌকে নিয়ে বুথে
নিজস্ব সংবাদদাতা • কোচবিহার

নির্বাচন পরিচালনার ব্যস্ততার মধ্যে সস্ত্রীক ভোট দিলেন কোচবিহারের জেলাশাসক মোহন গাঁধী। বৃহস্পতিবার বিকেলে কোচবিহার টাউন হাইস্কুলের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে সস্ত্রীক হাজির হন জেলাশাসক। ভোটের তদারকির জন্য জেলাশাসক এসেছেন ভেবে কর্মীদের অনেকেই তটস্থ হয়ে পড়েন।

আঙুলে কালি লাগাতে বুথে
নিজস্ব সংবাদদাতা • জলপাইগুড়ি

ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে খেয়াল করলেন আঙ্গুলে কালি নেই। নতুন ভোটার, স্বভাবতই প্রথম বার হাতে ভোটের কালি লাগানোর সুযোগ এসেছে। কিন্তু তা না হওয়ায়, নিরাশ হয়ে রাজনৈতিক দলের এজেন্টকে জানালেন। কালি-বৃত্তান্ত শুনে এজেন্ট বিস্মিত। তরুণী ভোটারকে সঙ্গে নিয়ে বুথে ঢুকে কারণ জানতে চাইলেন। তখন আরও এক ভোটার অভিযোগ করছেন, তার হাতেও কালি লাগেনি। প্রিসাইডিং অফিসার ডেকে নিয়ে কালি লাগিয়ে দিলেন। সংশ্লিষ্ট ভোট কর্মী জানালেন, ভুল হয়ে গিয়েছে। তিনিও প্রথম বারের ভোটকর্মী, তাই অনিচ্ছাকৃত এই ভুল। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি জলপাইগুড়ির আনন্দ মডেল হাইস্কুল ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের।

যন্ত্রে ত্রুটি

ইভিএমের ত্রুটির জন্য আলিপুর দুয়ারের কয়েকটি বুথে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া বিপর্যস্ত হয়েছে। ক্রুটির কারণে কোথাও দেরিতে ভোট শুরু হয়েছে, কোথাও ভোটযন্ত্রে ‘বিপ’ শব্দ না হওয়ায় ভোটারদের ক্ষোভে ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখতে হয়। শামুকতলার ছোট দলদলি বুথে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট চলার পরে, ভোটযন্ত্র বিগড়ে যায় বলে অভিযোগ। ভোট দেওয়ার বোতাম টিপলেও, ‘বিপ’ শব্দ হয়নি বলে অভিযোগ। ভোট দিতে আসা বাসিন্দা এবং এজেন্টদের বিক্ষোভে প্রায় ৪০ মিনিট ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে যন্ত্র ঠিক হওয়ার পরে ভোট গ্রহণ স্বাভাবিক হয়। শামুকতলার শক্তিনগর প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্রে ইভিএম খারাপ থাকায় দেড় ঘণ্টা পর ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট যন্ত্রে ক্রটির কথা শোনা যায় উত্তর মহাকালগুড়ি, উত্তর পারোকাটা, খোয়ারডাঙ্গা জলনেশ্বরী হাইস্কুল, রামপুর প্রাথমিক স্কুল, রায়ডাক টিজি, পূর্ব নারারথলি নিউ প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্রেও।

গাছের নীচে

একই ছায়ার তলায় আসতে হল যুযুধান দলগুলির ভোটের এজেন্টরা। জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া জয়পুর চা বাগান লাগোয়া একটি বুথ। সকাল দশটায় লাইন বেশ লম্বা। ভোটকেন্দ্রের দূরে দু’পাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অস্থায়ী বুথ অফিস হয়েছে। কিন্তু রোদের দাপটে সেই অফিসে বসে থাকা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে খাতা কলম নিয়ে পাশের একটি আম গাছের তলায় গিয়ে বসলেন তৃণমূলের এক এজেন্ট। কিছু পরে সেখানে হাজির সিপিএমের এজেন্টও। তাঁদের বুথেও যে সূর্য গনগনে তাপ ঢেলে দিচ্ছে। যা দেখে এক ভোটদাতার মন্তব্য, “বেশ ভাল। ছায়া সকলকে মিলিয়ে দিল।”

ভাঙচুর, নালিশ

কুমারগ্রামের জয়দেবপুর টাপুতে বিজেপি-র একটি অস্থায়ী বুথ অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানিয়েছে বিজেপি। এই দিন বিজেপির কুমারগ্রাম ব্লক সভাপতি বিপ্লব সরকার অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা এই ভাঙচুর চালিয়েছে। পুলিশে অভিযোগ করা হলেও, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” তৃণমূলের কুমারগ্রাম ব্লক সভাপতি দুলাল দে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফ ব-র দাবি

কোচবিহার কেন্দ্রের ১১৬টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাল ফরওয়ার্ড ব্লক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে দলের তরফে ওই দাবি করা হয়েছে। দলের অভিযোগ, নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ৩৩, কোচবিহার দক্ষিণের ৩০, শীতলখুচির ৫৩টি বুথে সুষ্ঠু ভাবে ভোট হয়নি। শাসক দল সন্ত্রাস করে সেখানে ভোট লুঠ করেছে। ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক উদয়ন গুহ বলেন, “কমিশন দাবির ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।” কংগ্রেসও ১৮৪ বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে।

বিকোল শসা

ভোট কেন্দ্রগুলির সামনে দেদার বিক্রি হল শশা এবং তরমুজ। শহর লাগোয়া তো বটেই প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সামনে কাটা ফল বিক্রির ওই হিড়িক দেখা গিয়েছে। চড়া রোদে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার পর বাড়ি মুখো ভোটারদের অনেককেই শসা আর তরমুজের টান এড়াতে পারেননি।

দার্জিলিঙের পাতলেবাস কমিউনিটি হলে ভোট দিতে এসেছেন বিমল গুরুঙ্গ। ছবি: রবিন রাই।

লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিলেন মিল্টন বর্মা (ছবিতে), দীপক দাস, গজেন কোঙ্গর-সহ সমাজের
মূলস্রোতে ফিরে আসা কুমারগ্রামের চল্লিশ জন প্রাক্তন কেএলও জঙ্গি। শুধু ভোটই দিলেন না, তৃণমূল কংগ্রেসকে
সমর্থনের কথা প্রকাশ্যে বললেনও। এদিন সকাল থেকে নিজ নিজ বুথে ওই প্রাক্তন কেএলও নেতারা ভোট দেন।
সঙ্গে আলাদা রাজ্যের দাবিকে সরিয়ে রেখে কামতাপুর ভাষা, কুমারগ্রাম মহকুমা, উন্নয়ন পর্ষদ
গঠনের মতো নানা দাবিও তোলেন। ছবি: রাজু সাহা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy