Advertisement
E-Paper

নার্সিংহোম থেকে ফেরার পথে মৃত ৪

নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মারা গেলেন ছোট গাড়ির আরোহী রোগী, চালক ও পরিবারের দুই সদস্য। মঙ্গলবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে দশদরগার কাছে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:২৮

নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মারা গেলেন ছোট গাড়ির আরোহী রোগী, চালক ও পরিবারের দুই সদস্য।

মঙ্গলবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে দশদরগার কাছে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে। জখম একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শঙ্কর দে (৬০), রীতা দে (৫২), রিয়া দে (২৫) এবং রাজকুমার রায় (২৯)। রাজকুমার ছোট গাড়ির চালক ছিলেন। মৃতরা শহর লাগোয়া তোড়লপাড়ার বাসিন্দা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে শোকার্ত পড়শিরা হাসপাতালে ছুটে যান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, রীতাদেবী দীর্ঘদিন স্নায়ুর রোগে ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁকে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠায় বাড়ির লোকজন রীতাদেবীকে দক্ষিণ ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো এ দিন দুপুরে স্বামী শঙ্করবাবু মেয়ে এবং ভাগ্নেকে নিয়ে ছোট গাড়ি ভাড়া করে শিলিগুড়িতে যান। রীতাদেবীকে নার্সিংহোম থেকে ছাড়িয়ে বিকেল নাগাদ তাঁরা বাড়ির দিকে রওনা দেন। দশদরগার কাছে পৌছতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই পরিবার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলেই মারা যান রীতাদেবী এবং গাড়ির চালক রাজকুমার। পথচারীরা জখম তিন জনকে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। হাসপাতালে পৌঁছনোর পরে মৃত্যু হয় শঙ্কর দে এবং মেয়ে রিয়ার। মারাত্মক জখম হন শঙ্করবাবুর ভাগ্নে দিবাকর চক্রবর্তীও।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দশদরগা এলাকার বাসিন্দা বিমল দাস জানান, ছোট গাড়িটি পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা দুরপাল্লার ট্রাকের সামনে পড়ে যায়। ছোট গাড়িকে দুমড়ে কয়েক ফুট দূরে ছিটকে ফেলে ট্রাক নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। দরজা ভেঙে আরোহীদের উদ্ধার করা হয়। মৃত পরিবারের প্রতিবেশী অনীত ঘোষ বলেন, “হাসপাতালে ছুটে গিয়ে দেখি সব শেষ। পরিবারের এমন কেউ নেই যে কথা বলব। বুঝতে পারছি না কী হবে।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy