Advertisement
E-Paper

পড়ে হস্টেল, আবাসিক নেই

কলেজ মাঠের এক পাশে তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে সংখ্যালঘু ছাত্রীদের হস্টেল। পরিকাঠামো হয়ে গেলেও ছাত্রী নেই একজনও। এমনকি প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই ছাত্রী আবাসে থাকার জন্য জমা পড়েনি একটিও আবেদন পত্র। রাজ্যের জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‘হস্টেলে থাকার বিষয়ে প্রচারে নামব।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০১৫ ০২:০৬

কলেজ মাঠের এক পাশে তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে সংখ্যালঘু ছাত্রীদের হস্টেল। পরিকাঠামো হয়ে গেলেও ছাত্রী নেই একজনও। এমনকি প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি এই ছাত্রী আবাসে থাকার জন্য জমা পড়েনি একটিও আবেদন পত্র। রাজ্যের জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী আবদুল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‘হস্টেলে থাকার বিষয়ে প্রচারে নামব।’’

ইসলামপুর কলেজে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা প্রায় আট হাজার। ইসলামপুর মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই কলেজে পড়াশোনা করতে আসেন ছাত্র ছাত্রীরা। বাইরে থেকেও পড়তে আসেন অনেকে। এলাকায় বাড়িভাড়া করে থাকলেও কলেজ ক্যাম্পাসে মেয়েদের হস্টেলে থাকার বিষয়ে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না কেউই। ছাত্রীদের একাংশের দাবি, এলাকার সংখ্যালঘু ছাত্রীদের হস্টেলটি কলেজ মাঠের একেবারে একপ্রান্তে অবস্থিত। সেখানে নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। বিশাল মাঠের এক কোনে ওই হস্টেলে মেয়েদের পক্ষে থাকা সম্ভব নয়।

নিরাপত্তার কারণেই যে কলেজে হস্টেলে থাকার জন্য ছাত্রীরা আবেদন করছে না তা অস্বীকার করেননি কলেজ কর্তৃপক্ষও। তবে কেউই নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চান নি। ইসলামপুর কলেজের অধ্যক্ষ উতথ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওই হস্টেলের জন্য ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তবে সেখানে কেউ থাকার জন্য আবেদন করেননি।’’

বিষয়টি নিয়ে কলেজের ছাত্রদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। তাঁদের দাবি, হস্টেলটি এই ভাবেই তালা বন্ধ অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হবে। তার বদলে হস্টেলটিতে যদি ছাত্রদের থাকার ব্যবস্থা করা হত তবে অন্তত তাদের কিছুটা উপকার হত।

ইসলামপুর কলেজের ছেলেদের হস্টেলটির দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল দশা। হস্টেলের টিনের চাল চুইয়ে জল পড়ে সমস্ত বই নষ্ট হয়েছে। অত্যধিক বৃষ্টি হলে হস্টেলের রান্না পর্যন্ত বন্ধ থাকে। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে একাধিক বার বললেও সাহায্যের আশ্বাস মিললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ইসলামপুর কলেজ হস্টেলের ছাত্র অরবিন্দ দাস, তীর্থঙ্কার সরকাররা বলেন, ‘‘ছেলেদের হস্টেলটি বেহাল। এদিকে মেয়েদের হস্টেলটি তৈরি হয়ে পড়ে থাকলেও তা ব্যবহার পর্যন্ত হচ্ছে না। প্রশাসনের সে দিকে নজর নেই।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy