Advertisement
E-Paper

শারদীয়ায় স্বাদ বদল সূর্যোদয় হোমে

সারাবছর হোমের চার দেওয়ালের ভেতর থেকে অবশেষে চার দিনের জন্য মুক্তি পাচ্ছে মূক ও বধির শিশুরা। গোটা রাজ্যের সাথে রাজ্যের এক মাত্র মূক বধির বিদ্যালয়ের শিশুরাও সামিল হবে শারদীয়া উৎসবে। দুর্গা পুজোর চার দিন শুধু বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘোরা আর রকমারি খাবার খাওয়ায় ব্যস্ত থাকবে সূর্যোদয় হোমের মন্তু কিংবা চন্দ্রকলিরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০১৫ ০২:৪৮
নতুন জামা পেয়ে খুশি শিশুরা। —নিজস্ব চিত্র।

নতুন জামা পেয়ে খুশি শিশুরা। —নিজস্ব চিত্র।

সারাবছর হোমের চার দেওয়ালের ভেতর থেকে অবশেষে চার দিনের জন্য মুক্তি পাচ্ছে মূক ও বধির শিশুরা। গোটা রাজ্যের সাথে রাজ্যের এক মাত্র মূক বধির বিদ্যালয়ের শিশুরাও সামিল হবে শারদীয়া উৎসবে। দুর্গা পুজোর চার দিন শুধু বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘোরা আর রকমারি খাবার খাওয়ায় ব্যস্ত থাকবে সূর্যোদয় হোমের মন্তু কিংবা চন্দ্রকলিরা।

ইতিমধ্যেই তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে নতুন জামা প্যান্ট জুতো। মেয়েদের জন্য প্রসাধনীর বিভিন্ন সামগ্রী। শহরের বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে এবং সূর্যোদয় হোমের তরফ থেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নতুন বস্ত্র। প্রতি বছরের মত এ বছরেও পুজোর চার দিন পরিবারহীন এই শিশুদের দেখা যাবে বিভিন্ন মণ্ডপে। শহরের বিভিন্ন পুজো প্রাঙ্গণেও তাদের জন্য রয়েছে ভুরিভোজের বন্দোবস্ত। কোনও দিন রায়গঞ্জ তুলসিতলার মণ্ডপে তো কোনও দিন চণ্ডীতলার সেন বাড়ির পুজোতে। এ ছাড়া পুজোর চারদিনই এই হোমের পক্ষ থেকে ফ্রায়েড রাইস, মাংস, লুচি, মিষ্টি ইত্যাদি খাবারের ব্যাবস্থা হয়েছে তাদের জন্য।

হাতের ইশারার অভিব্যক্তিতে মন্তু ও চন্দ্রকলিরা জানিয়েছে নতুন জামা প্যান্ট জুতো পরে সকলে মিলে একসাথে শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘুরে বেরাবে। দূর্গাপ্রতিমা ও রকমারি আলোকসজ্জার মাঝে নিজেদের সামিল করবে শারদ উৎসবে। পুজোর আগে হাতে নতুন জামা প্যান্ট পেয়ে তারা সকলেই যে আনন্দিত তা প্রকাশ পায় তাদের খুশির আমেজ দেখলেই।

হোমের অধ্যক্ষ পার্থসারথি দাস বলেন পুলিশ প্রশাসন ও শহরের বিভিন্ন স্বেচ্ছা সেবী সংগঠনের এর সহযোগিতার ফলেই প্রায় ৬০জন শিশুদের নিয়ে আমরা শারদ উৎসবে নিজেদের সামিল করতে পারি। গত ১৫ বছর থেকেই পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় পিতৃমাতৃহীন মূক বধির এই শিশুদের নিয়ে পুজা পরিক্রমার আয়োজন করা হয়ে থাকে। পুজোর চার দিন তাদের কে শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘুড়িয়ে নিয়ে আসা হয়। এবং তাদের জন্য ভুড়িভোজের ব্যাবস্তাও করা হয়।

পিতামাতা বা পরিবারহীন হয়েও সূর্য্যোদয় হোমের কর্মিদের অনুপ্রেরণায় তাদের বাবা-মা ভুলে এখানেই তারা এক পরিবারে একাত্ব হয়ে আছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy