Advertisement
E-Paper

দেশে কত দিনের তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে? জানিয়ে দিল কেন্দ্র, ভুয়ো তথ্য ছড়ালে করা হবে আইনানুগ পদক্ষেপ

কেন্দ্রের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, ভারতের তেল সংস্থাগুলি প্রতি দিন ৫০ লক্ষ গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছে। অন্য দিকে, দেশের প্রত্যেকটি পেট্রল পাম্প আগের মতোই পরিষেবা দিচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ২১:১৭

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

দেশে কত দিনের তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে, তা জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে যা অশোধিত তেল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ৬০ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্বে বড় কোনও সঙ্কট হলেও তেলের জোগান ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

দেশে রান্নার গ্যাস (এলপিজি)-এর জোগান অব্যাহত রাখতে ঘরোয়া উৎপাদন ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশে প্রতি দিন ৮০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি-র প্রয়োজন হয়। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে গ্যাস আমদানির পরিমাণ কমলেও কোনও সঙ্কট তৈরি হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, দেশে এখন যা গ্যাস মজুত রয়েছে, তাতে অনায়াসে এক মাসের চাহিদা পূরণ করা যাবে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে এ-ও বলা হয়েছে যে, আমেরিকা, রাশিয়ার মতো দেশ থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতের বন্দরগুলিতে ঢুকবে। ইতিমধ্যেই ৮০০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস আমদানি সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক মাস পরেও গ্যাসের সঙ্কট হবে না।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারত অশোধিত তেল আমদানি করে তা শোধন করার পর বিশ্বের ১৫০টি দেশে রফতানি করে থাকে। সেই কারণেই ভারতে অভ্যন্তরীণ চাহিদায় ছেদ পড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, ভারতের তেল সংস্থাগুলি প্রতি দিন ৫০ লক্ষ গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছে। অন্য দিকে, দেশের প্রত্যেকটি পেট্রল পাম্প আগের মতোই পরিষেবা দিচ্ছে। অন্য অনেক দেশের মতো, তেল সরবরাহ বন্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত ভারতকে নিতে হয়নি বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

এই সূত্রেই তেল এবং গ্যাসের জোগান নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ালে কঠোর পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, তেল এবং গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে জনমানসে উদ্বেগ তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে। তেমন ঘটনা প্রশাসনের নজরে এলে আইনানুগ ভাবে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে হরমুজ় প্রণালী পেরিয়ে ভারতে ঢোকে তেলবাহী ট্যাঙ্কার এবং জাহাজগুলি। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কৌশলগত কারণেই ওই প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ রেখেছিল ইরান। এর ফলে গোটা বিশ্বেই অশোধিত তেলের ব্যারেলপিছু দাম চড়চড় করে বাড়তে থাকে। দেশে তেলের সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে সোমবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, দেশে পেট্রল, ডিজ়েল এবং গ্যাসের জোগান সুনিশ্চিত রাখতে সব ধরনের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী এ-ও জানান যে, গত ১১ বছরে তেল আমদানির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য বাড়িয়েছে ভারত। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করত নয়াদিল্লি। মোদী জানিয়েছেন, এখন ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হয়।

LPG US-Iran Conflict
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy