জ্যোতিষশাস্ত্রে গোলাপফুলকে খুবই পবিত্র মানা হয়। শাস্ত্রমতে, গোলাপফুল সৌভাগ্যের প্রতীক। অন্য দিকে গোলাপজলকেও জ্যোতিষশাস্ত্রে অতি পবিত্র এবং সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মানা হয়। গোলাপজল আমাদের সৌভাগ্য বদলাতে সক্ষম। গোলাপজল দিয়ে বিশেষ কিছু টোটকা পালনে শক্তিশালী হয় শুক্র গ্রহ। এরই সঙ্গে মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভের সুবিধা হয়। কী কী টোটকা মানতে হবে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
টোটকা:
১) আটকে থাকা কাজ উদ্ধার করতে শিবলিঙ্গে গোলাপজল এবং গঙ্গাজল মিশিয়ে অর্পণ করুন। সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।
২) প্রতি শুক্রবার স্নানের জলে গোলাপজল মিশিয়ে স্নান করলে শুক্র গ্রহ মজবুত হয়।
৩) বাড়িতে শ্রীযন্ত্রম থাকলে সেটির উপর গোলাপজল অর্পণ করুন। তা হলে ধনলক্ষ্মী খুবই প্রসন্ন হন।
আরও পড়ুন:
৪) লেখাপড়ায় যদি বার বার বাধা আসে, সে ক্ষেত্রে নারায়ণ শিলায় গোলাপজল অর্পণ করতে হবে।
৫) অশ্বত্থগাছের গোড়ায় গোলাপজল অর্পণ করলে পূর্বপুরুষেরা খুবই প্রসন্ন হন এবং তাঁদের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।
৬) সূর্যদেবকে প্রতি দিন গোলাপজল অর্পণ করলে সৌভাগ্যের উদয় হয় বলে বিশ্বাস।
৭) ঘরে গোলাপজল এবং কর্পূর মিশিয়ে ছড়ালে নেতিবাচকতা দূর হয় এবং ঘর শুভ শক্তিতে ভরে থাকে।
আরও পড়ুন:
৮) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমাতে শোয়ার ঘরে একটা কাচের পাত্রে কিছুটা জলে গোলাপজল মিশিয়ে তার উপর গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে রেখে দিন। প্রতি সাত দিন অন্তর পাপড়ি এবং জল বদলে ফেলুন। সম্পর্কে মাধুর্য বৃদ্ধি পাবে।
৯) মনের ইচ্ছা পূরণ করার জন্য পর পর ১১টা মঙ্গলবার হনুমানজির মন্দিরে একটা গোলাপফুল এবং গোলাপজল অর্পণ করুন।
১০) ঋণ থেকে মুক্তি পেতে সন্ধ্যাবেলা কর্পূরের মধ্যে সামান্য গোলাপজল দিয়ে জ্বালিয়ে দিন।