Advertisement
E-Paper

সংস্কৃতি যেখানে যেমন...

‘থার্ড থিয়েটার ও বাদল সরকার’ শীর্ষক বিশেষ আমন্ত্রণমূলক বক্তৃতার আয়োজন করেছিল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। বক্তা নাট্য সমালোচক দর্শন চৌধুরী শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মতোই বোর্ড, চক ও ডাস্টার নিয়ে কথন ও থার্ড থিয়েটারের আঙ্গিক, পাশ্চাত্যে তার উদ্ভব পর্বে পর্বে বিভক্ত করে শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরেন। থিয়েটার চর্চার ইতিহাসে প্রসেনিয়াম থিয়েটারের উদ্ভব ও সংজ্ঞা বিশদে ব্যাখ্যা করেন।

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৫ ০৩:২১

থার্ড থিয়েটার ও বাদল সরকার

‘থার্ড থিয়েটার ও বাদল সরকার’ শীর্ষক বিশেষ আমন্ত্রণমূলক বক্তৃতার আয়োজন করেছিল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। বক্তা নাট্য সমালোচক দর্শন চৌধুরী শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মতোই বোর্ড, চক ও ডাস্টার নিয়ে কথন ও থার্ড থিয়েটারের আঙ্গিক, পাশ্চাত্যে তার উদ্ভব পর্বে পর্বে বিভক্ত করে শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরেন। থিয়েটার চর্চার ইতিহাসে প্রসেনিয়াম থিয়েটারের উদ্ভব ও সংজ্ঞা বিশদে ব্যাখ্যা করেন। বাদল সরকারের থার্ড থিয়েটারের আঙ্গিক, তার প্রয়োজনীয়তা, পাশ্চাত্যে প্রবর্তিত থার্ড থিয়েটারকে বাদল সরকার বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে কী ভাবে জনপ্রিয় করেছেন এমন নানা তথ্যই উঠে আসে তাঁর আলোচনায়। ছিল প্রশ্নোত্তর পর্বও। যাতে অংশ নেন অধ্যাপিকা সুস্মিতা সোম, অধ্যাপক শমিতেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও ‘থিয়েটার প্ল্যাটফর্ম’ গোষ্ঠীর কলাকুশলীরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিকাশ রায়। বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে অধ্যাপিকা সুনিমা ঘোষ জানান, বাদল সরকারের ‘এবং ইন্দ্রজিৎ’ নাটকটি পাঠ্যক্রমে থাকায় ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবেই এই আমন্ত্রণমূলক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছে।

লেখা ও ছবি: অনিতা দত্ত।

নাটকের কর্মশালা সামসিতে

নাটক নিয়ে পাঁচ দিনের কর্মশালা হয়ে গেল মালদহের সামসিতে। নাটকের প্রতি সর্ব স্তরের মানুষের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে ওই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। সামসি নবোদয় নাট্য সংস্থার উদ্যোগে ও কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় শাখার ব্যবস্থাপনায় সামসির একটি স্কুলে গত ৫ জুন দুপুরে ওই কর্মশালার উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন সামসি কলেজের অধ্যাপক তথা নাট্যপ্রেমী ও সমালোচক মনোজ ভোজ। পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি শাখার তরফে কো-অর্ডিনেটর হিসাবে কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাট্যপরিচালক দেবাশিস দত্ত। পাঁচ দিনের কর্মাশালায় অংশ নিয়েছিলেন স্কুল পড়ুয়া থেকে সর্ব স্তরের ২৮ জন পুরুষ ও মহিলা। পাঁচ দিন ধরে দুপুর দুটো থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্মশালা চলে। নাটকের নানা ভঙ্গি, মেক আপ, দৃশ্যসজ্জা থেকে আলোকসজ্জা কী ভাবে হবে তা নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন দেবাশিসবাবু। কর্মশালার শেষ দিন ৯ জুন কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় পান্ডুলিপিহীন নাটক ভূত ভগবান। তাৎক্ষণিক ভাবনায় কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের তৈরি সংলাপে ওই নাটক দর্শকদের মুগ্ধ করে। ভুতোর ভূমিকায় রাজা মুখোপাধ্যায়, ভূতোর স্ত্রীর ভূমিকায় মৌসুমী চক্রবর্তী ও হাবিলদারের ভূমিকায় অমলকৃষ্ণ চক্রবর্তীর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে। আর নাটকের শেষে ভুতোর পরিণতিতে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ঈপ্সিতা রায়ের আবহসঙ্গীত দর্শকদের চোখে জল এনে দেয়। নবোদয় নাট্য সংস্থার সভাপতি দিলীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘নাটকের মধ্যে দিয়ে ঐক্যবদ্ধতার পাশাপাশি সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। তাই নাটকের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতেই কর্মশালা করা হয়।’’

নাট্যচর্চায় ইন্ধন

গত ৬ এবং ৭ জুন মালবাজারে নাট্য কর্মশালা আয়োজিত হয়ে গেল। আয়োজক মালবাজারের নাট্যদল অ্যাক্টোওয়ালা। মালবাজার পুরসভার আর্থিক সহায়তায় মালবাজারের আর আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাঘরে দুই দিনের নাট্য কর্মশালায় ৫ থেকে ৩৫বছর বয়সীরা নাটকের প্রাথমিকপাঠ নেন। মূল প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হাওড়ার খ্যাতনামা নাট্যদল অনুযুগের নাট্যব্যক্তিত্ব শোভন চট্টোপাধ্যায়। শোভনবাবু ছাড়াও আর ৫জন প্রশিক্ষক নাট্যকর্মশালাটিতে প্রশিক্ষণ দেন। শুধুই অভিনয় নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি আলোকসম্পাত, মঞ্চের সামগ্রিক ব্যবহারের ওপরেও প্রশিক্ষণ দেন নাট্যব্যক্তিত্বরা। আয়োজক অ্যাক্টোওয়ালা নাট্যদলের মূল কর্মকর্তা সুধাংশু বিশ্বাসের কথায় মালবাজারকে কেন্দ্র করে ডুয়ার্সে নাট্য চর্চা বাড়ছে, সেই সঙ্গে নতুন করে উৎসাহও তৈরি হয়েছে। সেই উৎসাহকেই আরও একটু বাড়িয়ে দিতে নাট্যকর্মশালার আয়োজন। এরকম কর্মশালার মাধ্যমে যে নাট্যচর্চায় ইন্ধন জোগানো যাবে তা মনে করেন মালবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহাও। তার কথায় এধরনের প্রচেষ্টায় পুরসভার আর্থিক আনুকল্য আগামীতেও থাকবে।

শিক্ষা নিয়ে আলোচনাচক্র

সম্প্রতি শিলিগুড়ি শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল জাতীয় আলোচনা চক্র। বিষয় ‘প্রসপেক্টস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অব টিচার্স এডুকেশন ইন ইন্ডিয়া’। বেসরকারিকরণের প্রবণতায় কী হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার উৎকর্ষ, এমনই নানান তথ্য উঠে আসে আলোচনায়। এমনকী প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং-এর ভর্তি ও পাঠ্যক্রম পদ্ধতিও। আলোচনায় অংশ নেন ড. আনন্দগোপাল ঘোষ, অধ্যাপক নেত্রায়ন প্রধান (অধ্যাপক, বরোদা মহারাজা সওয়াজিরাও গাইকোয়াড় বিশ্ববিদ্যালয়), ড. প্রণবকুমার চন্দ, দুলালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, গোপালচন্দ্র সরকার প্রমুখ। দু’দিনের এই আলোচনা চক্রটির উদ্বোধন করেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও বাণিজ্য বিভাগের ডিন পলাশরঞ্জন সেনগুপ্ত।

বর্ণালী রচনা সংগ্রহ

সম্প্রতি বালুরঘাট নাট্যতীর্থ মন্মথ মঞ্চে প্রকাশিত হল প্রয়াত বর্ণালী সাহার ‘বর্ণালী রচনা সংগ্রহ’। গ্রন্থটিতে উনিশটি কবিতা ও পাঁচটি গল্পে রয়েছে বর্ণালীর জীবন সম্পর্কিত অন্বেষণ। এটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন লেখক পীযূষ ভট্টাচার্য। মানুষ বর্ণালী সম্পর্কে বলেন কবি ও গল্পকার মৃদুল শ্রীমানি। বর্ণালীর লেখা কবিতা পাঠ করেন স্বাতীলেখা কুণ্ডু। কন্যা বর্ণালিকে নিয়ে পিতা বিশ্বনাথ লাহার লেখা কবিতা ‘২৮ জুলাই’ পড়ে শোনান সঞ্জয় কর্মকার। অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয় শিপ্রা চট্টোপাধ্যায়ের ‘অন্তরীণ থেকে অনিঃশেষ’ গ্রন্থটিও। দুই মলাটবন্দি প্রবন্ধের বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন স্বপ্না চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় শিখা মুখোপাধ্যায় চাকলানবিশের পরিবেশিত সংগীত দিয়ে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তুহিনশুভ্র মন্ডল।

মনীষীর স্মরণিকা

পঞ্চানন বর্মার জন্ম-সার্ধশতবর্ষে স্মরণিকা প্রকাশ করল কোচবিহার-মাথাভাঙার ‘মনীষী পঞ্চানন বর্মা ট্রাস্ট’। ড. আনন্দগোপাল ঘোষ, ড. দীপককুমার রায়, পূর্ণপ্রভা বর্মন এবং নিত্য মালাকার-সহ অন্যান্যদের ‘মনীষী পঞ্চানন বর্মা ও উত্তরবঙ্গের কৃষকসমাজ’, ‘পঞ্চাননের নারীভাবনা’ প্রভৃতি প্রবন্ধগুলি কি জীবনকথা ও ইতিহাসের সার্থক মেলবন্ধন? অথবা ইতিহাসের পটভূমিতে একটি মহাজীবনের বিভিন্ন দিকের উপর আলোকসম্পাত? ঝরঝরে ভাষায় পরিবেশিত তথ্যগুলি আসলে ইতিহাস আর মহাজীবন—এই দুইয়েরই কথা শোনায় এবং সেই কথা জানান দেয়, আজও তা অতি প্রাসঙ্গিক।

লেখা ও ছবি: সুদীপ দত্ত।

নজরুলের জীবন ও সৃষ্টি

নজরুলের জীবন ও সাহিত্য এখনও মানুষকে ভাবিয়ে তোলে। তাঁর প্রতিভা আকর্ষণ করে এখনও। নর্থ বেঙ্গল পিপলস ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের আওতাধীন ‘আশ্রয়’ এর আবাসিকরা সম্প্রতি আয়োজন করেছিল নজরুল জয়ন্তীর। গান গাইল হোমের সুরজিৎ, অমল, কৌশিক, বুলবুলি, সুনীতি, রেশমা বা পূজার মতো কচিকাঁচারা। যুগ্ম নৃত্যে অংশ নেয় রেশমা পোদ্দার ও পূজা দাস। উল্লেখ করতে হয় মৌসুমী মজুমদার ও দীপ্তি ঘোষ পরিবেশিত দ্বৈত সংগীতটি। নজরুলের জীবন ও সৃষ্টি তুলে ধরেন সেন্টারের চেয়ারপার্সন চন্দনা চক্রবর্তী, মানস ভৌমিক ও সুচিত্রা দে। এনপিডিসি-র কর্মী রিম্পা সাহা চৌধুরী ও সোনালি মণ্ডলের আবৃত্তি, অনুষ্ঠানে অন্য এক মাত্রা এনে দেয়।

কৃষ্ণসাধিকাকে নিয়ে গীতিনাট্য

সম্প্রতি জলপাইগুড়ির রবীন্দ্রভবনে সোহিনী সংগীতালয়ের আয়োজনে নিবেদিত হল গীতিনাট্য ‘কৃষ্ণসাধিকা মীরাবাঈ’, শর্মিষ্ঠা তরফদার রচিত ও দেবযানী বসু সুরারোপিত গীতিনাট্যটি শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। এই মনোরম অনুষ্ঠানের শুরুতে কচিকাঁচাদের সম্মেলক কণ্ঠে ‘সবাই আমরা তোমার বাগানে একসাথে ফোটা ফুল’ দিয়ে সান্ধ্য অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বহু দিন মনে থাকবে শিশু শিল্পীদের পরিবেশিত নৃত্যনাট্য ‘সোনার কাঠি রূপার কাঠি’। পরিচালনা দেবযানী বসু ও শাশ্বতী কর। শুনতে ভাল লাগে শর্মিষ্ঠা নন্দী ও রেশমি চক্রবর্তীর পরিবেশিত নজরুলগীতি। ছিল সাথি দাসের ভজন ও জুঁই ঘোষের আধুনিক গান। ‘আকাশ থেকে আলো নিলাম’ গানে কোরাসে গলা মেলাল বড়রাও।

পরিবেশ ও সাহিত্যর সম্পর্ক

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বাংলা, সংস্কৃত, ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে বসেছিল জাতীয় আলোচনাচক্রের আসর। বিষয় ‘এনভায়রনমেন্টাল কনসাসনেস ইন লিটারেচার’। মুখ্য বক্তা সঞ্জীবন দত্ত রায় তাঁর আলোচনায় সমাজ সভ্যতার বিবর্তনের ফলে আমরা কী ভাবে প্রকৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি তা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য চল্লিশ বা পঞ্চাশের দশকের সাহিত্য রচিত হত গ্রামকে আশ্রয় করে। আজকের সাহিত্যে নগরায়ণের প্রভাব রয়েছে। রবীন্দ্রনাথের মানসী, বলাকা, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক থেকে শুরু করে আমাদের সমসাময়িক সাহিত্যিক দেবেশ রায়ের তিস্তা পারের বৃত্তান্ত থেকে নানা উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। তাঁর কথায় উঠে আসে সাধন চট্টোপাধ্যায়ের রচিত জল তিমির-এ আর্সেনিক দূষণের কথাও। ধনতান্ত্রিক এবং উন্নয়নশীল দেশগুলি কার্বন দূষণ নিয়ে আজও ঐকমত্য হয়নি সে কথাও মনে করিয়ে দেন সঞ্জীবনবাবু। অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৌরেন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশ পাণ্ডে, শ্যামকুমার ঝা, অনিন্দ্য ভট্টাচার্য, শুভাশিস ভট্টাচার্য এবং স্বপনকুমার মণ্ডল। আলোচনায় উঠে এসেছে সংস্কৃত সাহিত্যের উল্লেখও। মেঘদূত, কুমারসম্ভবের মতো প্রাচীন সাহিত্যে, শাস্ত্রে যে ভাবে বাঁধা পড়েছে প্রকৃতির কথা। রবীন্দ্রনাথের মুক্তধারা, রক্তকরবী, অচলায়তনে যে ভাবে উঠে এসেছে সামাজিক দূষণ কিংবা বহির্প্রকৃতি ও মানবপ্রকৃতি যে পরস্পরের পরিপূরক এমন নানা মতামত, বক্তব্য উঠে এসেছে এই আলোচনার আসর থেকে।

এভারেস্ট নিয়ে অনুষ্ঠান মালবাজারে

এভারেস্ট দিবস এবং পরিবেশ দিবসে কচিকাঁচাদের সচেতনতা বাড়াতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান করল মালবাজারের মাউন্টেন ট্রেকার্স ফাউন্ডেশন গত ২৯এপ্রিল সন্ধ্যায় মালবাজার শহরে মশাল মিছিল করে এভারেস্ট দিবসের সাফল্যকে তুলে ধরে এই সংগঠন। মালবাজারের এসডিপিও নিমা নরবু ভুটিয়ার সঙ্গে মিছিলে পা মেলান শহরের বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারা। এরপর রাতেই শহরের ঘড়িমোড়ে এভারেস্ট বিষয়ক একটি তথ্যচিত্রও দেখানো হয়। এরপর গত ৫জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসেও শহরের পড়ুয়াদের নিয়ে সচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। সবুজ বাঁচাতে শহরের বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়াদের জড়ো করে দূষণরোধের প্রচারও চালানো হয়। মাউন্টেন ট্রেকার্স ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা আশিস মিত্র, প্রদীপ দাসেরা জানান মালবাজার ডুয়ার্সের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে আগামীতেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy