হলদিবাড়ি দেখে মুগ্ধ হলদিবাড়িকে আরও একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলবেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যানকে ডেকে বলে দিলেন যে হলদিবাড়ির উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করে আমাকে পাঠান। আমি টাকা দেব। ১৪ অগস্টকে ‘কন্যাশ্রী দিবস’ হিসেবেও ঘোষণা করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খুব ভাল, এত সুন্দর আর মিষ্টি জায়গা হলদিবাড়ি। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরা হলদিবাড়ি। জলপাইগুড়ি প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। তার পাশে হলদিবাড়িও সুন্দর। আমি এর পর্যটনের ওপর জোর দেব।” মেখলিগঞ্জের সঙ্গে সংযোগকারী তিস্তা নদীর ওপর যে নতুন সেতু তৈরি হবে সেই সেতুর নাম করণও করে ফেললেন তিনি। তিনি বলেন, “মেখলিগঞ্জে এখন ১৫ মিনিটে যাওয়া যাবে। আগে ৮৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হত। বহু প্রত্যাশা অনেক সংগ্রামের পর এই সেতু হতে চলেছে। এই সেতুর নাম দিলাম ‘জয়ী সেতু’।”
মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ আগাগোড়া ছিল কোচবিহারের উন্নয়নের কথায় ভর্তি। তিনি হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান তরুণ দত্তকে ডেকে নেন। জানতে চান হলদিবাড়ির উন্নয়নের জন্য কত টাকা পেয়েছেন। তরুণবাবু তখন দৃশ্যতই আমতা-আমতা করছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেন, “উন্নয়নের পরিকল্পনা করে পাঠান। আমি টাকা দেব।” এর মধ্যেই তিনি ঘোষণা করেন হলদিবাড়ির হুজুর সাহেবের মাঠে রাস্তার ওপর এক কোটি টাকা খরচ করে একটি তোরণ তৈরি হবে। তিনি বলেন, “দক্ষিণবঙ্গে তারকেশ্বর এবং আরও কয়েকটি স্থানে এই তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছে। হলদিবাড়ির ধর্মীয় স্থান হুজুর সাহেবের মাঠেও এরকম একটি তোরণ নির্মান করা হবে।”
হলদিবাড়ির লঙ্কা সম্বন্ধেও তিনি ওয়াকিবহাল। হলদিবাড়ি যে একটি কৃষিপ্রধান জায়গা সেটা উল্লেখ করে বলেন, ‘‘হলদিবাড়ির কাছেই একটি সব্জি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে উঠছে। আরও যাতে গড়া যায় সেটা দেখব।’’