E-Paper

ফের মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগে জট

এখন প্রশ্ন উঠছে, রাজ‍্যের পাঠানো সাড়ে আট হাজার কর্মীকে কবে এবং কী ভাবে নিয়োগ করা হবে। সিইও অফিস জেলা-কর্তাদের স্পষ্ট করে দিয়েছে, ওই কর্মীদের ব‍্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দিল্লির নির্বাচন সদন।

চন্দ্রপ্রভ ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৭

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টে রাজ‍্য সরকার দাবি করেছিল, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ করা মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের বদলে নবান্নই গ্রুপ-বি আধিকারিক দেবে। অভিযোগ, তার বদলে যে তালিকা নবান্ন দিয়েছে, তাতে বেশির ভাগই করণিক পদের কর্মী। এই অবস্থায় রাজ্যের পাঠানো সব নামের ‘বায়োডেটা’ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লির নির্বাচন সদন। নির্দিষ্ট বয়ান পাঠিয়ে মুখ‍্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরও জেলাগুলিকে বলেছে, যে গ্রুপ-বি আধিকারিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের নামের তালিকা পাঠাতে। জেলা-কর্তারা জানাচ্ছেন, এ নিয়েই আপাতত এমন জট পেকেছে যে, সংশয় তৈরি হয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদৌ নিয়োগ সম্ভব তো?

কমিশনের যুক্তি, গ্রুপ-বি আধিকারিকেরা গেজ়েটেড পদমর্যাদার। করণিকেরা তা নন। বিধি মেনে সাংবিধানিক এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয় গেজ়েটেড অফিসারদেরই। কমিশনের দাবি, তাই রাজ্য প্রথমে এমন অফিসার না-দেওয়ায় কেন্দ্রের বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ কর্তাদের (গ্রুপ-এ বা বি) মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল।

এখন প্রশ্ন উঠছে, রাজ‍্যের পাঠানো সাড়ে আট হাজার কর্মীকে কবে এবং কী ভাবে নিয়োগ করা হবে। সিইও অফিস জেলা-কর্তাদের স্পষ্ট করে দিয়েছে, ওই কর্মীদের ব‍্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দিল্লির নির্বাচন সদন। তাতে বিধি মোতাবেক আক্ষরিক অর্থে গ্রুপ-বি কর্মী পাঠানো হচ্ছে কি না, তা দেখা হবে। সঙ্গে দেখা হবে—ওই কর্মী কোন অফিসে, কোন পদে, কার অধীনে কাজ করছেন, ঠিকানা, ই-মেল আইডি, পেশার নির্ধারিত কোন গ্রুপে (যেমন এ, বি, সি, ডি) তিনি রয়েছেন, ঊর্ধ্বতনের ই-মেল আইডি, ভিজিল‍্যান্স ছাড়পত্র রয়েছে কি না, কোন জেলা ও বিধানসভা এলাকায় কর্মরত, কোন জেলা বা বিধানসভার বাসিন্দা—এই বয়ানে জেলা থেকে পাঠানো রিপোর্ট। ইতিমধ্যেই তা পাঠাতে শুরু করেছে জেলাগুলি। প্রাথমিক যাচাইয়ের পরে তা যাবে দিল্লির নির্বাচন সদনে। সেখানকার ছাড়পত্র এলে দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। তার পরে হবে এক দিনের প্রশিক্ষণ। সব শেষে দায়িত্ব দেওয়া হবে সংশ্লিষ্টকে। আর যদি ‘গ্রুপ-বি’ প্রশ্নে কমিশন নমনীয় না হয়, তবে সেই কর্মীর নিয়োগ না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে জট তৈরির আশঙ্কা থেকে যায়।

অন‍্য দিকে, তথ‍্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির ঘটনাগুলি পুনর্যাচাইয়েও বিচিত্র তথ্য পাচ্ছে কমিশন। তারা জানাচ্ছে, একই মাসে দিন কুড়ির ব‍্যবধানে দুই সন্তানের জন্ম দেওয়ার ঘটনা থেকে শুরু করে প্রতি মাসে একটি করে সন্তানের জন্ম দেওয়ার মতো দৃষ্টান্ত মিলছে। সেই তথ‍্যগুলি ভুল করে, না কি ইচ্ছাকৃত দেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Special Intensive Revision Micro Observer

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy