সোদপুরের পরে দমদম। হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাত জাগছে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে শুক্রবার দমদম স্টেশনে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভে নেমেছিল সিটু-সহ বামপন্থী সংগঠনগুলি। জীবিকা চলে যাওয়ার আশঙ্কায় এক মহিলা হকার আত্মহত্যা করার চেষ্টাও করেছেন বলে আন্দোলনকারীদের দাবি। দমদম স্টেশনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিলেন সিটুর জেলা সম্পাদক গার্গী চট্টোপাধ্যায়, গত বিধানসভা নির্বাচনে দমদম কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী ময়ূখ বিশ্বাস, শ্রমিক নেতা দেবাংশু নন্দী প্রমুখ।
শুধু দমদম নয়, উত্তর ২৪ পরগনার আরও পাঁচটি স্টেশনের পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্তোষপুর এবং বারুইপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। পুনর্বাসনের দাবি তুলে আসরে নেমেছে বাম সংগঠন। রয়েছে হকার সংগঠনের নেতৃত্বে জানিয়েছেন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, ব্যারাকপুর, হাসনাবাদ, বসিরহাট এবং নদিয়ার রানাঘাটেও উচ্ছেদের আশঙ্কায় সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরা সতর্ক রয়েছেন।
সিটু অনুমোদিত রেল হকার্স ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি অলকেশ দাস বলেছেন, “যাত্রী পরিষেবায় মন নেই রেলের। রেল এখন বড় ব্যবসার জন্য রাস্তা চওড়া করতে হকার-মুক্ত স্টেশন করতে চাইছে।” তাঁর সংযোজন, “রেল হকারেরা একত্রিত হয়ে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে পরিবারের সকলকে নিয়ে আরপিএফের বন্দুক, লাঠি, বর্মের সামনে দাঁড়াবেন। আলোচনা ছাড়া, উপযুক্ত পুনর্বাসন ছাড়া কোনও দোকান স্পর্শ করতে গেলেও বাধা দেওয়া হবে।” গার্গী, অলকেশ ছাড়াও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর শীল, নদিয়া জেলা সম্পাদক অয়ন মিত্র, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক মাণিক বক্সী, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি কৃষ্ণপ্রসাদ চৌধুরী-সহ রাজ্য নেতারা ক্যানিং, চম্পাহাটি-সহ বিভিন্ন স্টেশনে রাত পাহারার কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন।
যদিও রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “সরকার এই নিয়ে নির্দিষ্ট নীতি নিচ্ছে। সরকারের উপরে আস্থা আছে। তারা নিশ্চয়ই এই সমস্যার সমাধান করছে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)