E-Paper

হয়রানির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি, অস্বীকার বিশ্বভারতীর

চিঠিতে বিশ্বভারতীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪০
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। — ফাইল চিত্র।

নানা ভাবে তাঁদের হয়রান করা হচ্ছে। এ অভিযোগ করে বিশ্বভারতীর আচার্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পরিদর্শক রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্ম , রেক্টর সি ভি আনন্দ বোস ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) ই-মেল অভিযোগ জানালেন বিশ্বভারতীর মাল্টি টাস্কিং স্টাফদের (এমটিএস) একাংশ। চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ করা এই কর্মীদের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, এটি ভুয়ো চিঠি।

বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে এমটিস কর্মীদের নিয়োগ করা হয়। ই-মেলে তাঁদের অভিযোগ, প্রথম দিকে কাজের পরিবেশ সম্মানজনক ছিল। কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের অধীনে পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে। তাঁদের অভিযোগ, নিয়ম না মেনে তাঁদের বিভিন্ন জায়গায় বদলি, তিরস্কার, অপমান এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের ব্যক্তিগত কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ই-মেলে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এমটিএস কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে ভাষা ভবনের নিয়োগের গোপন নথি ফাঁসের অভিযোগ করা হয়েছে। এর জেরে কয়েকজনকে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও কর্মীদের একাংশের দাবি, গোপন নথি সংরক্ষণের জায়গায় তাঁদের প্রবেশাধিকারই ছিল না। অভিযোগ, এ সব হয়রানির কারণে এমটিএস-এর অনুমোদিত ৪০৫ জনের মধ্যে অর্ধেক কর্মীই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

ই-মেলে একই সঙ্গে হেরিটেজ ওয়াকের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, ৩০০ টাকার টিকিট ২,০০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। আধার যাচাই ছাড়াই অগ্রিম টিকিট বুকিং করা হয় বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, চিঠিতে ২০০৪ সালে নোবেল চুরির প্রসঙ্গ তুলে বিশ্বভারতীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করা হয়েছে।

ই-মেলে করা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “এ সব উড়ো চিঠির কোনও ভিত্তি নেই। বিষয়টি আইনানুগ ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।’’ হেরিটেজ ওয়াকের টিকিট বিক্রির কালোবাজারির অভিযোগ প্রসঙ্গে অতিগ বলেন, ‘‘এর সঙ্গে বিশ্বভারতী কোনওভাবেই যুক্ত নয়। এখান থেকে টিকিট কিনে অন্য কেউ বা কারা অবৈধ ভাবে বিক্রি করে থাকলে তার দায় বিশ্বভারতীর নয়।”


(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Narendra Modi UGC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy