এক বধূকে ফুসলিয়ে অপহরণের অভিযোগে বেসরকারি বাসের চালককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শনিবার দুপুরে মানবাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম শেখ দাউদ। তিনি মানবাজার-দুর্গাপুর রুটের একটি বাসের চালক। উদ্ধার করা হয়েছে নিখোঁজ বধূকে। রবিবার দু’জনকে পুরুলিয়া আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দাউদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ওই বধূ তাঁর স্বামীর সঙ্গে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মানবাজার থানা এলাকার এক বাসিন্দা ৮ সেপ্টেম্বর থানায় এসে স্ত্রী নিখোঁজ বলে ডায়েরি করেন। তাঁর সন্দেহ ছিল, স্ত্রীকে কেউ ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। সন্দেহভাজন হিসাবে পুলিশকে কয়েক জনের নামও জানিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।
সন্দেহভাজনদের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে নিখোঁজ বধূ দুর্গাপুরে আছেন। তদন্তে হদিস মেলে শেখ দাউদের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ দাউদ কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে থাকলেও তাঁর আসল বাড়ি পুঞ্চা থানা এলাকায়। জেরায় সে ওই বধূকে দুর্গাপুরে নিয়ে গিয়ে রেখার কথা স্বীকার করে বলে পুলিশের দাবি। শনিবার রাতেই পুলিশ ওই বধূকে উদ্ধার করে। তিনি বাড়ি ফিরতে রাজি হন। তাঁর দাবি, ভুল বুঝে বাড়ি ছেড়েছিলেন।
ওই বধূর বাপের বাড়ি দুর্গাপুরে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মানবাজার থেকে দুর্গাপুর যাতায়াতের সূত্রে দাউদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। খোঁজ নিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, দুর্গাপুর এবং বাঁকু়ড়ার ছাতনায় দাউদের দুই স্ত্রী রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বধূর দাবি, দাউদ বিবাহিত বলে তিনি জানতেন না। অপহরণ-সহ অন্য বেশ কিছু অভিযোগে ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ২৮ অক্টোবর ধৃতকে ফের আদালতে তোলা হবে।