মামলার মূল অভিযোগকারী (তৎকালীন দুবারজপুর থানার ওসি ত্রিদীপ প্রামাণিক) সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত ছিলেন। তার পরেও মঙ্গলবার এসআই অমিত চক্রবর্তী হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করা গেল না। কারণ, ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শেখ আলিমকে গ্রেফতার করা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনটাই বাকি ছিল। এ দিনই ধৃতের বিরুদ্ধে সিউড়ি আদালতে সেই চার্জ গঠিত হয়। সরকারি আইনজাবী তপন গোস্বামী বলেন, ‘‘যেহেতু সাক্ষ্য দেওয়ার আগে ধৃতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়ে যাওয়া বাঞ্ছনীয়। তাই সিউড়ির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য নতুন করে আগামী ৬ জুন ত্রিদীপবাবুর সাক্ষ্য দেওয়ার দিন ধার্য করেছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৩ জুন দুবরাজপুরের যশপুর পঞ্চায়েতের আউলিয়া গোপালপুর গ্রামে ১০০ দিন প্রকল্পে একটি পুকুর সংস্কার করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও সিপিএমের সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে তা থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মারাত্মক জখম হয়েছিলেন দুবরাজপুর থানার সাব-ইনস্পেক্টর অমিত চক্রবর্তী। অমিতবাবু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওই বছরই ২৮ জুলাই। পুলিশ সিপিএম তৃণমূলের ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। ধৃতদের মধ্যে এক জন মারা গিয়েছেন। চার্জ গঠনের পরে পুলিশ আর এক জনকে গ্রেফতার করে। নাবালককে বাদ দিয়ে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন হয়েছিল। আলিমের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পর সংখ্যাটি দাঁড়াল ১৭। চার্জ গঠনের পরে এ দিন আদালতে বিচারক আলিমকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি দোষী না নির্দোষ। আলিম অবশ্য নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।