E-Paper

ভোটের আগেই হাতছাড়া তিন, লড়লেন বাকিরা

জেলার, ১১টি আসনের মধ্যে ন’টিতে প্রার্থী দিয়েছিল এজেইউপি। বাকি দু’টি আসন এমআইএমকে ছেড়েছিল তাঁরা।

দেবাশিস পাল

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:০৩
হুমাযুন কবীর।

হুমাযুন কবীর। ফাইল চিত্র।

ন’টি আসনে লড়াই শুরু হয়েছিল। শেষে ময়দানে টিকে রইলেন ছ’জন। দিনের শেষে, হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) সেই ছ’প্রার্থী জানালেন, হার-জিত নয়, লড়াইটাই বড় কথা।

জেলার, ১১টি আসনের মধ্যে ন’টিতে প্রার্থী দিয়েছিল এজেইউপি। বাকি দু’টি আসন এমআইএমকে ছেড়েছিল তাঁরা। প্রচার শুরু হতেই একের পর এক ধাক্কা নেমে আসে দলটির উপর।

হুমায়ুনের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল (ভিডিয়োটি সত্য কি না যাচাই করেনি আনন্দবাজার) হওয়ার পরে এমআইএমএর সঙ্গে জোট ভেঙে যায় এজেইউপির। আর ভোটের ঠিক আগের দিন নানুর, লাভপুর ও দুবরাজপুরের প্রার্থীরা তৃণমূলে যোগ দেন। তবে লড়াই থেকে সরেননি বাকি ছ’প্রার্থী।

লড়াইয়ে ছিলেন মহম্মদবাজারের ট্রাক ব্যবসায়ী তথা বীরভূম জেলা ট্রাক ও ট্রিপার অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সম্পাদক আনাস আহমেদ। তিনি রামপুরহাটের প্রার্থী হিসেবে শেষ পর্যন্ত লড়াই জারি রাখেন। আনাস বলেন, "আমি রাজনীতিতে এসেছি প্রতিবাদ জানানোর জন্য। অল্প সময়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লড়াই জারি রেখেছি। আমি আশাবাদী।"

অন্য দিকে, বোলপুরের প্রার্থী সৈয়দ সারওয়াদ্দি, সিউড়ির কোহিনুর খাতুন, সাঁইথিয়ার অষ্টম মাল, হাঁসনের সৈয়দ উদ জামান ও দলটির জেলা সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের প্রার্থী শেখ কলিমুদ্দিনও শেষ পর্যন্ত লড়লেন নিজেদের মতো করে। কলিমুদ্দিন বলেন, "যুদ্ধে হার-জিতটা বড় কথা নয়। শেষ পর্যন্ত মাঠে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়াটাই প্রকৃত যোদ্ধার কাজ। আমার সহযোদ্ধাদের কুর্নিশ জানাই। এ ভাবেই এগিয়ে যাব। মানুষের রায় মাথায় পেতে নেব।"

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Humayun Kabir

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy