Advertisement
E-Paper

পঞ্চায়েতে তালা, ক্ষোভ

১১ বছর আগে গাছ লাগিয়ে সন্তানের মতোই লালনপালন করেছিলেন। মাস ছয়েক আগে রাস্তা চওড়া করার সময় ন্যায্য দাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সেই গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছিলেন স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা। কিন্তু আজও কানাকড়িও মেলেনি। তাই প্রাপ্য টাকার দাবিতে পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা।

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০১৬ ০১:০৯

১১ বছর আগে গাছ লাগিয়ে সন্তানের মতোই লালনপালন করেছিলেন। মাস ছয়েক আগে রাস্তা চওড়া করার সময় ন্যায্য দাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সেই গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছিলেন স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা। কিন্তু আজও কানাকড়িও মেলেনি। তাই প্রাপ্য টাকার দাবিতে পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে নানুরের নওয়ানগর-কড্ডা পঞ্চায়েতে।পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় বছর ১১ আগে স্থানীয় পুরন্দরপুর গ্রাম লাগোয়া বাদশাহী সড়কের দু’দিকে নানা ধরণের গাছ লাগান স্থানীয় ১১ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ১২৮ জন সদস্যা। নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রির টাকা ওইসব সদস্যদেরই পাওয়ার কথা। কিন্তু মাস ছয়েক আগে ওই সড়ক সম্প্রসারণের সময় সংশ্লিষ্ট নানুর পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল খালেক এবং জেলা পরিষদের সদস্য মমতাজ বেগমের স্বামী তৃণমূল নেতা রফিক সেখ ওইসব গাছ কেটে বিক্রি করে দেন বলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের অভিযোগ।

বিউটি বিবি, খালেদা বিবি, রূপা বিবিরা জানান, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে আমরা সন্তানের মতো গাছগুলিকে লালনপালন করেছি। দুঃসময়ে বিক্রি করে কাজে লাগবে আশা করেছিলাম। কিন্তু রাস্তা চওড়া করার সময় খালেক এবং রফিক ভাই আমাদের ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার গাছ কেটে বিক্রি করে দেন। বাকি টাকায় পার্টি অফিস তৈরি করার কথা বলেছিলেন তারা। কিন্তু সেই পার্টি অফিস তো হয়নি, মেলেনি আমাদের প্রাপ্যও। তাই পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।

পঞ্চায়েত প্রধান মনিজা বেগম বলেন, ‘‘স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ক্ষোভ হওয়াটাই স্বাভাবিক। পরিশ্রমের ফসল অন্যজনে ভোগ করলে কারই বা ভাল লাগে। বিষয়টি নিয়ে বিডিও’র দৃষ্টি আর্কষণ করব।’’

Advertisement

অন্যদিকে খালেক এবং রফিক জানান, ‘‘আমরা ওই ঘটনার সঙ্গে কোনভাবেই যুক্ত নই। ৬ মাস আগে রাস্তা চওড়া করার সময় স্থানীয় বাসিন্দারাই ওইসব গাছ কেটে নিয়েছেন। আর এতদিন পরে ভোটের মুখে উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত কারণেই সিপিএম ওইসব মহিলাদের দিয়ে আমাদের নামে মিথ্যা বদনাম করাচ্ছে।’’

সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য আনন্দ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ‘‘ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনও সংশ্রব নেই।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy